মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে কয়েকটি ব্যক্তিগত বৈঠকের পর সব তথ্য সরিয়ে ফেলেন বলে খবর দিয়েছে ওয়াশিংটন পোস্ট। ২০১৭ সালে ওই বৈঠকগুলো হয়।
এর আগে নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, ট্রাম্প রাশিয়ার হয়ে গোপনে কাজ করেছিলেন কি না, তা জানতে ২০১৭ সালে তদন্ত করেছিল যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (এফবিআই)।
ওই বছর মে মাসে এফবিআই পরিচালক জেমস কোমিকে বরখাস্ত করেন ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী হিলারি ক্লিনটনের ই-মেইল হ্যাকড হওয়ার ঘটনা তদন্তে ভূমিকার কারণে কোমিকে বরখাস্ত করা হয়। এফবিআই’র ধারণা, ই-মেইল হ্যাকডের পেছনে রাশিয়ার হাত আছে।
পরিচালক বরখাস্ত হওয়ার পর ট্রাম্পের রাশিয়া প্রীতি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন আইনপ্রয়োগকারী কর্মকর্তারা। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি কি না সেটি খতিয়ে দেখেছে এফবিআই।
তদন্ত এখন কোন পর্যায়ে সে বিষয়ে কিছু জানাতে পারেনি পত্রিকাটি।
হোয়াইট হাউজের সাবেক এবং বর্তমান কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ওয়াশিংটন পোস্ট তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, পুতিনের সঙ্গে আলোচনার সময় একজন দোভাষী উপস্থিত ছিলেন। সংবাদমাধ্যম কিংবা বাইরের কাউকে কিছু না বলতে ট্রাম্প তাকে নির্দেশ দেন। লিখিত কিছু নথিও তিনি সরিয়ে ফেলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা ট্রাম্পের এই কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানতেন। নিয়মানুযায়ী প্রশাসনের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বৈঠকের বিস্তারিত জানতে চাইলে ট্রাম্প তাদেরও এড়িয়ে যান।
দুই দেশের আলোচনার সরকারি নথি কেউ সরিয়ে ফেলতে পারেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প ফক্স নিউজকে বলেন, ‘অন্য প্রেসিডেন্টরা যেমন আলোচনা করেন, আমিও করেছি। সব দেশের সঙ্গেই সেটা করি। আমরা ইসরায়েল পরিস্থিতি নিয়ে আলাপ করেছিলাম। আমি তো কিছু গোপন করিনি।’