‘ক্ল্যাসিক’ লিটন-ওয়ার্নার দেখা দিলেন সিলেটে

বিপিএলে একসঙ্গে ঝড় তুললেন সিলেট সিক্সার্সের ওপেনার লিটন দাস ও তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামা ডেভিড ওয়ার্নার। এই দুজনের দাপুটে ব্যাটিংয়ে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে চ্যালেঞ্জিং পুঁজি গড়েছে সিলেট সিক্সার্স।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৮৭ রান করে সিলেট। লিটন ৪৩ বলে ৭০ রান করেন। ওয়ার্নার ৩৬ বলে অপরাজিত ৬১ রানের ইনিংস খেলেছেন।

আগের ম্যাচে চরম ব্যাটিং ব্যর্থতা নিশ্চয়ই পুড়ে পড়ে খেয়েছে সিলেট সিক্সার্সের প্রতিটি সদস্যকে। নিজেদের মাঠে প্রথম ম্যাচ। আর সেই ম্যাচেই কিনা মাত্র ৬৮ রানে অল আউট হয়ে যাওয়ার লজ্জা! কুমিল্লার বিপক্ষে ৮ উইকেটে হেরে যাওয়া ম্যাচটির পর দিনই মাশরাফীর রংপুরের বিপক্ষে মাঠে নামা ওয়ার্নারের দলের।

আর এ ম্যাচে কিনা একেবারেই বদলে গেল দলটি। অধিনায়ক ওয়ার্নার ওপেনিং থেকে তিনে নেমে গেলেন। লিটন দাসের সঙ্গে ওপেনিংয়ে পাঠালেন সাব্বির রহমানকে। ভিন্ন কৌশলে বদলাল সিলেটের ভাগ্যও। উদ্বোধনী জুটিতেই লিটন ও সাব্বির তলে নেন ৭৩ রান। আগের ম্যাচের দলীয় স্কোরের চেয়ে যা ৫ বেশি।

লিটন ছিলেন বিধ্বংসী। সাব্বির ২০ রান করে ফেরার পর ওয়ার্নারকে সঙ্গে নিয়ে তাণ্ডব চালান। এই জুটি যোগ করে ৫৬ রান। লিটন রান আউটে কাটা পড়লে সেই জুটি ভাঙে। ডানহাতি ব্যাটার নিজের ইনিংসটি সাজিয়েছেন নয় চার ও এক ছক্কায়।

এরপর নিকোলাস পুরানকে নিয়ে এগিয়েছেন ওয়ার্নার। পুরান ১৬ বলে ২৬ রান করেছেন তিন চার ও এক ছক্কায়। শফিউলের করা ১৮তম ওভারের শেষ বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন পুরান।

শেষ ওভারের তৃতীয় ও চতুর্থ বলে আফিফ হোসেন ও জাকির আলীকে ফিরিয়েছেন শফিউল। তাতে ওই ওভারে দুই রানের বেশি করতে পারেনি সিলেট। যা শেষ পর্যন্ত আক্ষেপই হয়ে থেকেছে সিলেটের জন্য। ওয়ার্নার তার ইনিংস সাজিয়েছেন ছয় ছক্কা ও দুই চারে।

রংপুরের পক্ষে শফিউল সর্বাধিক ৩ উইকেট নেন। বেনি হাওয়েল নিয়েছেন ১ উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

সিলেট সিক্সার্স: ১৮৭/৫ (২০ ওভার) (লিটন ৭০, সাব্বির ২০, ওয়ার্নার ৬১*, পুরান ২৬; শফিউল ৩/৩১)।