টেনিসের সুন্দরী তিনি। খেলার জগতে ‘গ্ল্যামার’ বিষয়টি তার ছিল সবচেয়ে বেশি। এই মারিয়া শারাপোভাই জড়িয়ে গেলেন কলঙ্কে। ২০১৬ অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে ডোপ টেস্টে পজিটিভ হন তিনি। জানুয়ারির টুর্নামেন্টে পজিটিভ হওয়ার বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। কিন্তু দুই মাস পর মার্চে শারাপোভা ও টেনিস দুনিয়ার জন্য বিস্ময়ের জন্ম দিয়ে আসে খবরটি। একদিক থেকে শারাপোভার দোষ ছিল না। ওই বছরের জানুয়ারিতেই মেলডোনিয়াম নামক ড্রাগ নিষিদ্ধ হয়। কিন্তু টুর্নামেন্ট শুরুর আগে শারীরিক শক্তি বাড়ানোর জন্য জানুয়ারিতেই হয়তো ড্রাগটি নিয়েছিলেন রাশিয়ান তারকা। টুর্নামেন্ট চলাকালে তাই টেস্টের ফল যায় পাঁচবারের গ্র্যান্ড সø্যামজয়ীর বিরুদ্ধে। বিষয়টি আন্তর্জাতিক টেনিস ফেডারেশনকে বোঝাতে চেয়েছিলেন তিনি। এর জন্য লড়াইও করেন। ড্রাগ নিষিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি তাকে জানানো হয়নি সেটাই বলেছেন আইনজীবীর মাধ্যমে। তবুও নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারেননি। তবে আগের ড্রাগজনিত কোনো বাজে রেকর্ড না থাকায় কোর্ট অব অরবিট্রেশন অব স্পোর্টস তার সাজা কমিয়ে ১৫ মাস করে। অবশেষে নিষেধাজ্ঞার সময় কাটিয়ে কোর্টে ফিরেছেন শারাপোভা। আগের মতো তুখোড় ফর্ম না থাকলেও টেনিসে ফিরতে পারাকেই সৌভাগ্যের মনে করছেন রুশ সুন্দরী।