রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় জঙ্গি আস্তানায় অভিযানের সময় গোয়েন্দা পুলিশের এক পরিদর্শককে আঘাত করে তার অস্ত্র ও গুলি ছিনিয়ে নিয়েছিল জঙ্গিরা। তিন বছর পর সেই জঙ্গির কাছ থেকে তথ্য নিয়ে অস্ত্রটি উদ্ধার করেছে কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্র্যান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট(সিটিটিসি)।
সিটিটিসির কর্মকর্তারা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ইউএসএআইডির সাবেক কর্মকর্তা জুলহাস মান্নান ও তার বন্ধু নাট্যকর্মী মাহবুব তনয় হত্যাকাণ্ডে জড়িত নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের (এবিটি) জঙ্গি নেতা আসাদুল্লাহকে গত মঙ্গলবার রাতে গাজীপুরের টঙ্গী এলাকা গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তিন দিনের রিমাণ্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাকে নিয়ে বৃহস্পতির রাতে ওই অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
সিটিটিসির উপ-কমিশনার(ডিসি) মহিবুল ইসলাম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ২০১৬ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি বাড্ডার সাতারকুলে জঙ্গি আস্তানায় অভিযানের সময় জঙ্গি আসাদুল্লাহ ও তার সঙ্গীরা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক বাহাউদ্দীনকে আঘাত করে তার ব্যবহৃত লোড করা পিস্তলটি ছিনিয়ে নিয়ে যায়। সেই পিস্তল ও ১০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে তার দেখানো বাসা থেকে।
তিনি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে জঙ্গি আসাদুল্লাহ জুলহাস ও তার বন্ধু তনয় হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। কারা কারা জড়িত ছিল ও তাদের অবস্থান সম্পর্কেও জানতে পেরেছি তার মাধ্যমে। তিনদিনের রিমাণ্ড শেষে আগামী রবিবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে বলেও জানান তিনি।
২০১৬ সালের ২৫ এপ্রিল রাজধানীর কলাবাগান এলাকার বাসায় ঢুকে জুলহাস-তনয়কে হত্যা করেছিল এবিটির সদস্যরা। এ ঘটনায় জুলহাসের বড় ভাই মিনহাজ মান্নান কলাবাগান থানায় একটি মামলা করেন।