মানহীন ও পান অনুপযোগী পাঁচ প্রতিষ্ঠানের পানি চিহ্নিত করে এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন হাইকোর্টে জমা দিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)।
‘ইয়ামি ইয়ামি’, ‘একুয়া মিনারেল’, ‘সিএফবি’, ‘ওসমা’ এবং ‘সিনমিন’ এর বোতলজাত ও জারের পানি পানের উপযোগী নয় জানিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশে ১৫ প্রতিষ্ঠানের জার ও বোতলের পানি পরীক্ষা করে সোমবার এ প্রতিবেদন দিয়েছে বিএসটিআই।
বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন।
যার রিট আবেদনে আদালত পানি পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিল, সেই শাম্মী আক্তারের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন আইনজীবী মো. জে আর খান রবিন।
প্রতিবেদন দাখিলের পর পাঁচ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে তা ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন আকারে দাখিল করতে বিএসটিআইকে নির্দেশ দেন আদালত।
জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বাজারে বেআইনিভাবে থাকা বোতলজাত খাবার পানি সরবরাহ বন্ধে গত বছরের ৩ ডিসেম্বর আদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। বিএসটিআই এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছিল।
পাশাপাশি আদালতের আদেশের পর বিএসটিআই কী পদক্ষেপ নিয়েছে তা প্রতিবেদন আকারে দাখিল করতে বলা হয়। এ ছাড়া প্লাস্টিক বোতল ও জারে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহে সরকারের ব্যর্থতা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।
এর ধারাবাহিকতায় গত মঙ্গলবার এক আদেশে বাজারে বোতলজাত খাবার পানির মান নির্ণয় ও পরীক্ষা করে সোমবারের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্টের এই বেঞ্চ।
২০১৮ সালের ২২ মে একটি জাতীয় দৈনিকে বোতলজাত পানি নিয়ে প্রতারণা সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদন যুক্ত করে ২৭ মে আইনজীবী শাম্মী আক্তার জনস্বার্থে এই রিট আবেদনটি করেন।
আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. জে আর খান রবিন। সঙ্গে ছিলেন রিটকারী আইনজীবী শাম্মী আক্তার। বিএসটিআই’র পক্ষে প্রতিবেদন দাখিল করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেসুর রহমান।