আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের দশ গান

আধুনিক, দেশাত্মবোধক, সিনেমা মিলিয়ে হাজারখানেক গানে সুর-সংগীতায়োজন করেছেন সদ্য প্রয়াত আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল। অনেক গানের কথাও এ কিংবদন্তির। তার অমূল্য ভান্ডার থেকে সেরা গান বেছে নেওয়া খুবই কষ্টসাধ্য বিষয়। সেখান থেকে বুলবুলের সুর করা ভিন্ন ভিন্ন স্বাদের দশটি গান শুনুন।

সব কটা জানালা খুলে দাও না: সাবিনা ইয়াসমিনের দেশাত্মবোধক গানটি আজও জনপ্রিয়।

ও মাঝি নাও ছাইড়া দে: এ আইকনিক দেশাত্মবোধক গানটিরও শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন।

আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি: ‘নয়নের আলো’ বাংলা চলচ্চিত্রে আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলকে পা নিচে শক্ত মাটি দেয়। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন অ্যান্ড্রু কিশোর।

চাঁদ মুখে যেন লাগে না গ্রহণ: ‘বিয়ের ফুল’ সিনেমায় কণ্ঠ দেন অ্যান্ড্রু কিশোর। সম্প্রতি গানটির রিমেক হয়েছে।

কী কথা যে লিখি: ‘না বলো না’ সিনেমার গান।  সচরাচর এ ধরনের গান বাংলা সিনেমায় শোনা যায় না। শাকিলা জাফরের সঙ্গে কণ্ঠ দেন অ্যান্ড্রু কিশোর।

কত মানুষ ভবের বাজারে: ‘লাভ স্টোরি’ সিনেমার স্যাড ট্র্যাকটিতে শোনা যায় কনকচাঁপাকে।

আমার গরুর গাড়িতে বউ সাজিয়ে: ‘আঁখি মিলন’ সিনেমার জনপ্রিয় গান। এখনো নানা অনুষ্ঠানে, বিশেষ নৃত্য পর্বে গানটি শোনা যায়। কণ্ঠ দেন এসো কিশোর ও সাবিনা ইয়াসমিন।

প্রেম কখনো মধুর: ‘মহৎ’ সিনেমার গান। কণ্ঠ দিয়েছেন এসো কিশোর ও খালিদ হাসান মিলু।

বাজারে যাচাই করে দেখিনি তো দাম: ফোক ফিউশনধর্মী গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন কনকচাঁপা। ঠাঁই পেয়েছে সালমান শাহ-শাবনূরের ‘তোমাকে চাই’ সিনেমায়।

অনেক সাধনার পরে: হালে গানটির রিমেক বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ‘ভালোবাসি তোমাকে’ সিনেমাটির গান এটি।

বুলবুল জনপ্রিয় গানের মধ্যে আরও রয়েছে- সেই রেল লাইনের ধারে, সুন্দর সুবর্ণ তারুণ্য লাবণ্য, মাগো আর তোমাকে ঘুম পাড়ানি মাসি, আমার বুকের মধ্যে খানে, আমার বাবার মুখে প্রথম যেদিন, আমি তোমারই প্রেমও ভিখারি, আইলো দারুণ ফাগুনরে, আমার একদিকে পৃথিবী, আমি তোমার দুটি চোখে ও পৃথিবীর যত সুখ।

তোমায় দেখলে মনে হয়, আম্মাজান আম্মাজান, স্বামী আর স্ত্রী বানায় যে জন মিস্ত্রি, এই বুকে বইছে যমুনা, পড়ে না চোখের পলক, প্রাণের চেয়ে প্রিয়, অনন্ত প্রেম তুমি দাও আমাকে, তুমি আমার জীবন আমি তোমার জীবন, তোমার আমার প্রেম এক জনমের নয়, জীবনে বসন্ত এসেছে, ঘুমিয়ে থাকো গো সজনি, আমার হৃদয় একটা আয়না, তুমি আমার এমনই একজন ও একাত্তরের মা জননী।

আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল ১৯৫৬ সালের ১ জানুয়ারি ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র ১৫ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তিনি রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মান একুশে পদক, দুইবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং রাষ্ট্রপতি পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হন।