রাজধানীর বারিধারায় যমুনা ব্যাংকের এটিএম বুথের মধ্যে এলিট সিকিউরিটি ফোর্স লিমিটেডের নিরাপত্তাকর্মী খুনের ঘটনায় সহকর্মীরা জড়িত বলে জানিয়েছে পুলিশ। পূর্ব বিরোধের জের ধরে পরিকল্পিতভাবে শামীমকে (২৪) খুন করা হয়। পুলিশের দাবি, হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেপ্তার হওয়া ওমর ফারুক। তিনি এলিট সিকিউরিটি ফোর্স লিমিটেডের জোনাল ম্যানেজার। নিহত শামীমও একই প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা প্রহরীর দায়িত্বে ছিলেন। ভাটারা থানায় নিহতের বাবা নজরুল ইসলামের করা হত্যা মামলায় ফারুককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ভাটারা থানার এসআই আবদুর সাকুর বলেন, ফারুককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। থানা পুলিশের অপর এক কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে জানান, শামীম খুন হওয়ার দুই দিন আগে ফারুকের সঙ্গে ঝামেলা হয়। সে সময় উভয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ওই ঘটনায় ফারুক আহতও হয়। ধারণা করা হচ্ছে, ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব থেকেই শামীমকে হত্যার পরিকল্পনা করে ফারুক। দুই কর্মীর দ্বন্দ্বের বিষয়টি জানা ছিল না বলে দাবি করেছেন এলিট ফোর্সের অপারেশন ডিরেক্টর মেজর মো. ইউসুফ মোড়ল। তিনি বলেন, ‘আমাদের কোম্পানির সুনাম এর সঙ্গে জড়িত। আমরাও চাই প্রকৃত অপরাধীরা শাস্তি পাক। তাদের দুজনের মধ্যে ঝামেলার বিষয়টি আমাদের জানা ছিল না।’ খুনের ঘটনায় গত সোমবার এলিট সিকিউরিটি ফোর্সের জোনাল কমান্ডার মো. শাহিন, সহকারী জোনাল কমান্ডার নজরুল ইসলাম ও রহিমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে ভাটারা থানা পুলিশ।
ওইদিন ভোরে বারিধারার প্রগতি সরণির জে ব্লকে হাতিল ফার্নিচারের শো-রুমের নিচে অবস্থিত যমুনা ব্যাংকের বুথের ভেতর থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় শামীমকে উদ্ধার করে পুলিশ। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।