স্বামীর মৃত্যুর পর তার চিতাতেই শাড়ি পরিয়ে জীবন্ত স্ত্রীকে বসিয়ে সতীদাহ প্রথা ছিল ভারত উপমহাদেশে। শত বছর আগে সেই কলঙ্কময় প্রথা উচ্ছেদ হয়ে যায়। কিন্তু এই একবিংশ শতাব্দীতে স্ত্রীকে জীবন্ত পুড়তে যাচ্ছিলেন এক স্বামী।
অবশ্য শেষপর্যন্ত পুলিশ ওই নারীকে উদ্ধার করতে পেরেছে এবং তার স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে।
এনডিটিভি বুধবার জানায়, ভারতের বিহারের পাটনার সন্দেশ থানার বালুঘাটে এ ঘটনা ঘটে।
তবে সতীদাহের সঙ্গে খানিকটা আলাদা এটি। সতীদাহে মৃত স্বামীর চিতায় জীবন্ত স্ত্রীকে পোড়ানো হলেও এখানে নিজেই স্ত্রীকে পোড়াতে চেয়েছিলেন ওই ব্যক্তি।
স্ত্রীকে চিতায় তুলে আগুন ধরিয়ে দিলেও শেষপর্যন্ত ২৮ বছরের ওই নারীকে উদ্ধার করে পুলিশ। সেই সঙ্গে তার স্বামীকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
সন্দেশ থানা পুলিশকে জানায়, গ্রেপ্তারকৃত ওই ব্যক্তির নাম রবীন্দ্র ঠাকুর। ১৩ বছর আগে তাদের বিয়ে হলেও দাম্পত্য জীবনে সুখী হননি তারা। বিশেষ করে শ্বশুরবাড়িতে প্রতিনিয়ত নির্যাতনের শিকার হতেন ওই নারী।
মূলত সন্তান জন্ম দিতে না পারায় শ্বশুরবাড়ির লোকেরা তার ওপর নিপীড়ন চালাতো। কয়েকদিন আগে ওই নারী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
কিন্তু সেখান থেকে কীভাবে তিনি চিতায় হাজির হলেন, সে ব্যাপারে কিছু বলতে পারছেন না তিনি। ওই নারীর শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে গেছে বলে জানা গেছে।
ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।