ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে দেখলেন, ছাত্রছাত্রীদের সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের জন্য কোনো সংগঠন নেই। বিরাট এই ক্যাম্পাসের ছেলেমেয়েদের নাচ, গান, অভিনয়, আবৃত্তি ইত্যাদি সুকুমার বৃত্তির বিকাশের জন্য গড়ে তুললেন ‘ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় সাংস্কৃতিক সংসদ’। প্রথমবারেই সেরা হলো তারা। আহসান রনির আরও কীর্তি আছে। বলছেন ওমর শাহেদ
আজকের আহসান রনির অনেক কীর্তি। তিনি বলতে ভালোবাসেন, ‘বড়মামা এস এম নাসিম রেজাই আমাকে গড়ে দিয়েছেন।’ নাসিম এখন হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা জজ। অন্যদের যেমন ছোটবেলায় ‘এই করো না, ওই কোরো না-শুনতে হতো’; রনির তেমন কাটেনি। মামার বাসায় থাকতেন। বদলির চাকরিতে নানা জেলায় মামাকে যেতে হয়েছে। ছোট্ট রনিরও বারবার স্কুল বদলেছে, বিভিন্ন জেলায় বেড়িয়েছেন। ছোটবেলা থেকে তার বই পড়ার নেশা। জেলা শহরের গণগ্রন্থাগারে গিয়ে নিয়মিত বই পড়তেন। এভাবেই তার সমৃদ্ধির পথে যাত্রা।
ছাত্র তিনি বেশ ভালো। পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতে বৃত্তি পেয়েছেন। এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ ৫ নিয়ে পাস করেছেন। মামার আগ্রহেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছেন। মামা ভাগ্নেকে ডেকে বলেছিলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের সেরা ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি হয়। তোমাকেও সেখানে ভর্তি হতে হবে।’ রাজশাহীসহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো বিষয়ে সুযোগ পেলেও, এই এক কারণে প্রাচ্যের অক্সফার্ডে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে ভর্তি হলেন। হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলে উঠলেন। ২০১৩ সাল থেকে এখনো এই হল তার ঠিকানা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে চিরকাল নতুনের কেতনধারী রনির মনে হলো, আমার স্বপ্ন তো পূরণ হয়েছে। এখন থেকে যদি শিক্ষাসহায়ক কার্যক্রমে যুক্ত হই ও সেগুলোতে ভালো করি, তাহলে সেগুলো তো জাতীয় বিষয় হবে, খবরের কাগজ, টেলিভিশন, রেডিওতে আসবে। কারণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো খবর জাতীয় বিষয় হিসেবে গণ্য হয়। তবে জীবনের শুরু থেকেই তিনি ঠিক করেছিলেন, গতানুগতিক মানুষের মতো হবেন না, কেবল চাকরি করে জীবন পার করে দেবেন না। অন্যদের চেয়ে আলাদা কিছু করবেন। সে ইচ্ছে থেকে লেখাপড়ার পাশাপাশি প্রথম বর্ষে পড়ার সময় থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক নানা ধরনের সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হতে লাগলেন। তার প্রথম সংগঠন হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল ডিবেটিং ক্লাব। ক্লাবে প্রথম চারটি মাস খুব সক্রিয় ছিলেন। নিজে বিতর্ক করেছেন, বিতর্ক কর্মশালার আয়োজন করেছেন। ন্যাশনাল ডিবেট ফেডারেশনের (এনডিএফ) বিতর্কানুষ্ঠানগুলোতেও যুক্ত হয়েছেন। স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে এরপর ঢাকা ইউনিভার্সিটি আইটি সোসাইটি, ঢাকা ইউনিভার্সিটি ফিল্ম সোসাইটি, ঢাকা ইউনিভার্সিটি ফটোগ্রাফিক সোসাইটি, বাঁধনে কাজ করেছেন। এই কাজগুলো করতে গিয়ে নানাজনের সঙ্গে পরিচিত হয়েছেন। তাদের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা লাভ করেছেন। কীভাবে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে হয়, ছোট একটি দলকেও কীভাবে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে আয়োজন ভালোভাবে সম্পন্ন করতে হয়, উপস্থিত বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের উপায় কী ইত্যাদি বিষয় শিখে নিলেন। আয়মান সাদিক, ওসামা বিন নূরের মতো নবীন তারকাদের সঙ্গেও বন্ধুত্ব হলো। এরপর তার চোখ খুলে গেল। রনি খেয়াল করলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন কোনো সাংস্কৃতিক সংগঠন নেই, যেটি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেবে, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সংগঠন হিসেবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সফল হবে। তিনি তেমন এক সংগঠনের কথা ভাবতেন। ভাবনাগুলো নিয়ে বন্ধু, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে আলাপ করতেন। সবাই উৎসাহ দিয়ে বললেন, ‘রনি তুমিই এমন একটি সংগঠন গড়ে তোলো।’
ফলে ২০১৫ সালের পাঁচ সেপ্টেম্বর ঢাকা ইউনিভার্সিটি কালচারাল সোসাইটি (ডিইউসিএস)’র জন্ম হলো। বাংলায় একে তারা ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক সংসদ’ বলেন। গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সিনিয়র ভাই ওয়াসেক সাজ্জাদ প্রথম সভাপতি হলেন। পরে আরেক সিনিয়র ভাই সাহস মুস্তাফিজ সভাপতি। প্রতিষ্ঠাতা ও তখনকার তৃতীয় বর্ষের ছাত্র রনি নিজে সাধারণ সম্পাদক থাকলেন। সে সময়ের উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সঙ্গে এই সংগঠন নিয়ে আলাপের পর তিনি খুব উৎসাহ দিলেন। নিজে উদ্যোগী হয়ে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি)-এ আয়োজিত ‘আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা’য় প্রথমবারের মতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দল পাঠালেন। তাড়াহুড়ো করে নিজ ও অন্যান্য বিভাগের সংস্কৃতিপ্রেমী ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্য থেকে ২৫ জনের দল গড়ে তুললেন রনি। নবীন প্রতিযোগীদের নিয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সাবরিনা সুলতানা চৌধুরী দিনে ও রাতে টিএসসির অডিটোরিয়ামে মহড়া দিলেন, প্রতিযোগিতায় ভালো করার জন্য নানা কৌশল শেখালেন। অনেক স্বপ্ন নিয়ে, পরিশ্রমে গড়া দলটি প্রথম গিয়েই ৩০ মিনিটের দলগত পারফরমেন্সে চ্যাম্পিয়ন হলো। ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ ডিইউসিএস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথম বসন্ত উৎসব করল, বিশাল আকারের। এই আয়োজনের স্বেচ্ছাসেবকই ছিলেন দেড়শ ছাত্র-ছাত্রী। ফলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের খুব সহযোগিতা করতে লাগল। সে বছরের আগস্টে বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ পড়ে সেটির ভিত্তিতে ডিইউসিএস রিভিউ প্রতিযোগিতার আয়োজন করল। এর পর থেকে প্রতি বছর আগস্টে এই সংগঠনের উদ্যোগে ‘প্রিয় বঙ্গবন্ধু’ নামে বিরাট আয়োজনটি চলছে। সারা দেশের মানুষ বঙ্গবন্ধুকে চিঠি লেখেন। গত বছর নির্বাচিত চিঠিগুলো নিয়ে ‘প্রিয় বাবা’ নামে সংকলন প্রকাশিত হয়েছে।
জাতীয় আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, এমআইএসটি (মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি)’র আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ডিইউসিএস। এভাবে এই সংগঠনের কর্মীরা পোক্ত হয়ে উঠেছেন। এখন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক আয়োজনে অংশ নিয়ে পুরস্কার জয় তাদের জন্য নিয়মিত বিষয়। এসবের বাইরে সংগঠনটি নিয়মিত তাদের বিশ^বিদ্যালয়ে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নাট্য উৎসব, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় আবৃত্তি উৎসব, বসন্ত উৎসব আয়োজন করছে। দেশের বাইরেও বাংলাদেশকে নিয়ে গিয়ে নানা পুরস্কার জয় করছে।
২০১৬ সালে তারা প্রথম বিদেশে আমাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছে। সেবার ভারতের ও পি জিন্দাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সারা বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ‘বিশ্বমিল’-এ অংশ নিয়েছে। তাদের সঙ্গে ঢাকা ইউনিভার্সিটি মাইম অ্যাকশন নামের মুকাভিনয়ের সংগঠনও ছিল। এ প্রতিযোগিতায় তিনটি বিভাগে চ্যাম্পিয়ন ও তিনটি বিভাগে রানারআপ ট্রফি জয় করেছেন তারা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এত অর্জন বয়ে নিয়ে আসা সংগঠনকে এরপর টিএসসিতে রুম বরাদ্দ দেওয়া হলো। সেখানেই তারা নিয়মিত সংস্কৃতিচর্চা করেন। নানা সাফল্য ও উদ্যোগ দেখে এখন ছাত্র-ছাত্রীরা ব্যাপকভাবে এই সংগঠনের সদস্য হচ্ছেন।
এত দূর আসার এই পথটি মোটেও সহজ ছিল না ডিইউসিএস’র সভাপতি আহসান রনির জন্য। নিজে ছাত্র, টাকা-পয়সার অভাব, লেখাপড়ার প্রচ- চাপ সামলে সবচেয়ে বড় বিশ^বিদ্যালয়ে বিরাট সংগঠন গড়ে তোলা মোটেও সহজ কাজ নয়। সে সব কথা বলার আগে তিনি গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক সাবরিনা সুলতানা চৌধুরী, বড় ভাই ও স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের মিডিয়া অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের প্রভাষক সাহস মুস্তাফিজসহ পুরো সংগঠনের সব কর্মীর অনেক কষ্টের কথা বললেন। এরপর জানালেন ব্যক্তিগতভাবেও তাকে এইসব আয়োজন এবং উদ্যোগের জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। নতুন অনুষ্ঠানের ভাবনা, সেটির পরিকল্পনা, স্পন্সরশিপ, মিডিয়া কভারেজের জন্য পরিকল্পনা প্রস্তুত, সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে নিয়মিত মহড়ার আয়োজন, তাদের নানা সমস্যার সমাধান, ছোট্ট ব্যানার থেকে শুরু করে পোস্টার ডিজাইন, সেগুলো তৈরির সময় উপস্থিত থাকা, হল ও ক্যাম্পাসের দেয়ালগুলোতে সেগুলো সাঁটানো, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য টিএসসি বুকিং, অতিথি, ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে অনুষ্ঠান সফলভাবে আয়োজনÑ সবই একা হাতে সামলেছেন। কাজগুলোর পেছনে তার অনেক দুঃখ ও ত্যাগ জড়িয়ে আছে, ‘২০১৬ সালের বিরাট বসন্ত উৎসবের সময় আমার মিড টার্ম পরীক্ষা ছিল। ভোরে মল চত্বরে গিয়ে সব গুছিয়ে দিতে হলো। অনুষ্ঠান শুরু হলে আয়োজক হিসেবে মঞ্চে বক্তৃতা দিতে হয়েছে। তাড়াহুড়ো করে দুপুরে পরীক্ষা দিয়ে আবার অনুষ্ঠানে এসেছি।’ পরিবারের অনেক কাজেও এই সামাজিক কাজের জন্য সময় দিতে পারেননি। এরপর বললেন, “ডিইউসিএস’র এসব সফলতার কারণ আমরা সবসময় সবার মতামত ও সহযোগিতা নিয়ে অনুষ্ঠান আয়োজন করেছি। একটি পরিবার হিসেবে আমরা কাজ করেছি।” স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজেই শুধু নয়, তিনি নিজেকে ছড়িয়ে দিয়েছেন লেখাতেও। ইত্তেফাক ও প্রথম আলোতে চার বছর ফিচার লিখেছেন। ২০১৭ সালে ২২ তরুণের জীবন সংগ্রাম ও অনুপ্রেরণার সত্যি কাহিনী নিয়ে তার সম্পাদিত বই ‘দেখা হবে বিজয়ে’ সেবারের বইমেলায় অন্যতম ‘বেস্ট সেলার’ ছিল।
তরুণ এই স্বেচছাসেবী তার কাজের অংশ ও স্বীকৃতি হিসেবে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে কয়েকটি দেশ সফর করেছেন। ভারতের হায়দরাবাদের মুন, দিল্লির কালচারাল, নেপালের ইউনিভার্সাল পিস ফেডারেশন লিডারশিপ, ইন্দোনেশিয়ার রিয়াও ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ সামিটে অংশ নিয়েছেন। রিয়াও সামিটে ২২ দেশের তরুণ প্রতিনিধিদের ভেতর তার পরিকল্পনা ‘বেস্ট অ্যাকশন প্ল্যান’ পুরস্কার জিতেছে। ‘সনেকশন’ নামের এই পরিকল্পনার পুরস্কার জয়ের খবর বাংলাদেশসহ ইন্দোনেশিয়ায় পত্রিকায় তার ছবিসহ ছাপা হয়েছে। ২০১৭ সালে তিনি নেপালের ইউনিভার্সাল পিস ফেডারেশন ইয়ুথ লিডারশিপ ক্যাম্পে শ্রীলঙ্কা, ২০১৮ সালে ভারতের কাশ্মীরের একটি
আন্তর্জাতিক সেমিনারে গিয়েছেন। এই বছরের ডিসেম্বরে তরুণ প্রতিনিধি হিসেবে ভিয়েতনাম সফর করেছেন।
নানা দেশ দেখার অভিজ্ঞতা তার ভেতরে নতুন আরেকটি চিন্তার জন্ম দিয়েছে। তিনি বিভিন্ন দেশে গিয়ে খেয়াল করেছেন, আমাদের শ্যামল প্রকৃতি, নদী ও খাল-বিলের অপরূপ সৌন্দর্য বিদেশিরা তেমনভাবে জানেন না। অনলাইনেও এই দেশ নিয়ে ভালো, তথ্যবহুল লেখা পাওয়া যায় না।
বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সৌন্দর্য দেশ ও বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে তিনি ভ্রমণের একটি প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছেন। ‘ট্রাভেল বাংলাদেশ’ নামের এই প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট-www.travelbd.xyz। ভ্রমণ ওয়েবসাইটগুলোর চেয়ে এটি পুরোপুরি আলাদা, পরিকল্পিত ও পূর্ণাঙ্গ হয়েছে। এখানে দেশের প্রতিটি জেলার ওপর আলাদা পেইজ ও তথ্য ভান্ডার আছে। চ্যালেঞ্জিং এই কাজে তার সঙ্গে বিভিন্ন জেলার ৪০ জন লেখক আছেন।
আহসান রনি বললেন, ‘যতক্ষণ জেগে থাকি, ট্রাভেল বাংলাদেশ নিয়ে ভাবি। সাইট ও আরও নতুন কিছু পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে ভ্রমণপিয়াসীদের ভ্রমণের সব ধরনের সহযোগিতা করতে চাই।’