যশোরে এমপিসহ আ’লীগ নেতাদের বাড়িতে ককটেল হামলা

যশোরে সংসদ সদস্য (এমপি) কাজী নাবিল আহমেদের বাস ভবন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানসহ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের দুই নেতার বাড়িসহ পাঁচ স্থানে ককটেল হামলার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটে।

হামলা সম্পর্কে আওয়ামী লীগের দুই নেতা ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন।

জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক এ ঘটনার জন্য জামায়াত বিএনপিকে দায়ী করলেও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দায়ী করেছেন দলের অপর একটি অংশকে।

যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনছার উদ্দিন জানান, রাত একটা থেকে ২টা পর্যন্ত এ হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই পুলিশ সুপার মইনুল হকসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলগুলোতে যান। বোমার আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।

জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ হাসান বিপু জানান, প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেল আরোহী দুর্বৃত্তরা রাত ১টার পর বোমা নিক্ষেপ করে শাহীন চাকলাদারের মালিকানাধীন হোটেল জাবির ইন্টারন্যাশনালের সামনে, যুবলীগ নেতা তৌহিদুল ইসলাম চাকলাদার ফন্টু, ছাত্রলীগ নেতা রাসেল ও পরিবহন শ্রমিক নেতা আজিজুল আলম মিন্টুর বাড়িতে। বোমাগুলো বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়।

তিনি বলেন, ‘বর্তমান দেশে বিরাজিত শান্তিপূর্ণ অবস্থানকে বিনষ্ট করতে জামায়াত-বিএনপি চক্র এ ঘটনা ঘটিয়েছে।’

অপরদিকে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহিত নাথ জানান, রাত ২টার পর সদর আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদের বাড়িতে চারটি বোমা নিক্ষেপ করা হয়। এর মধ্যে তিনটি বোমা বিস্ফোরিত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আগের দিন শুক্রবার মধ্যরাতে রাতে যুবলীগ নেতা রাজিবুল আলমের বাড়িতে বোমা হামলা করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, সবাই চেনে এই শহরের যারা চাঁদাবাজ, বোমাবাজ, যারা নামকরা খুনে তারা আমাদেরই দলের একজন বড় নেতার ছত্রচ্ছায়ায় থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম চালায় বেড়ায় তাদেরকে আমরা ভিডিও ফুটেজে শনাক্ত করেছি।