‘ডাকসুতে নৈশকালীন নির্বাচন হতে দেওয়া যাবে না’

বাংলাদেশে এখন ‘নৈশকালীন’ নির্বাচন হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন নৈশকালীন হতে দেওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন ডাকসুর সাবেক এজিএস নাসির-উদ-দোজা।

সোমবার  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন আয়োজিত ছাত্র সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন। এতে সভাপতিত্ব করেন ছাত্র ইউনিয়নের ঢাবি শাখার সভাপতি ফয়েজ উল্লাহ।  

ডাকসুর সাবেক এজিএস বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস হচ্ছে নৈশকালীন, তাতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। বাংলাদেশে এখন নির্বাচন হচ্ছে নৈশকালীন, নৈশকালীন নির্বাচনে আমাদের আপত্তি আছে। নৈশকালীন নির্বাচন হতে দেওয়া যাবে না। এখানে দিবালোকে নির্বাচন হতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ডাকসু নির্বাচন শিক্ষার্থীর সাংবিধানিক অধিকার। আর এই অধিকার আদায়ের ৩৮ হাজার শিক্ষার্থীদের জেগে উঠতে হবে।

এ সময় ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সভাপতি জি এম জিলানী শুভ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাধারণ সম্পাদক রাজিব দাসসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে ছাত্র ইউনিয়নের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের  যুগ্ম-আহ্বায়ক নুরুল হক নুর।

ডাকসু নির্বাচনের উদ্যোগ নেয়ায় প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়ে জি এম জিলানী শুভ বলেন, গত আটাশ বছরে বিভিন্ন ক্ষমতার পালাবদলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্ত্রাসের চারণভূমিতে পরিণত হয়েছে। প্রশাসন ডাকসু নির্বাচনের জন্য যদি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে না পারে তাহলে সে নির্বাচন একটি প্রহসনে পরিণত হবে। আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এ প্রহসনকে ছাড় দেবে না।

ছাত্র ইউনিয়নের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে নুরুল হক নুর বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবি নিয়ে আমরা সবাই একমত। আমরা জানি আজকে হলগুলোকে কীভাবে একটি সংগঠন তাদের রাজনীতি টিকিয়ে রাখার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। তাই আমাদের সবার দাবি থাকবে হলের বাইরে ভোট কেন্দ্র স্থাপন করতে হবে।

সমাবেশ শেষে ক্যাম্পাসে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে ছাত্র ইউনিয়ন। মিছিলটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মধুর ক্যানটিনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।