অবশেষে আলোচিত সেই কোরাল মাছ নিয়ে মুখ খুললেন কুয়াকাটা পৌরসভার মেয়র আব্দুল বারেক মোল্লা। তার দাবি, কুয়াকাটার টুরিস্ট পুলিশের কাছ থেকে তিনি কোরাল মাছটি ছিনিয়ে নেন নি।
তিনি জানান, কুয়াকাটা টুরিস্ট পুলিশের এসআই শাহআলমের কেনা কোন কোরাল মাছ বশিরের আড়তে ছিল না। তিনি কোরাল মাছ কেনার জন্য বশিরকে বলেছিলেন। অথচ পরিকল্পিতভাবে সম্মানহানির জন্য শাহআলম তার সঙ্গে আলোচনা না করেই মোবাইল ফোনে গণমাধ্যমে প্রচার করেছেন।
মেয়র আব্দুল বারেক মোল্লা আরও বলেন, কুয়াকাটার জাতীয় পার্টির এক নেতার ইন্ধনে পরিকল্পিতভাবে তাকে নিয়ে গণমাধ্যমে সাংবাদিকদের কাছে প্রচারণা করা হয়েছে। গোটা বিষয়টি ছিল সাজানো এবং পরিকল্পিত। মেয়রের দাবি তিনি বশিরের কাছ থেকে সব সময় যেকোনো ধরনের মাছ কেনাকাটা করে থাকেন।
মাছ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা হয়েছে উল্লেখ করে মেয়র বলেন, সেখানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকেও জড়ানো হয়েছে। যা ছিল সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয়। বারেক মোল্লা বলেন, কুয়াকাটা আওয়ামী লীগকে হেয় প্রতিপন্ন করতে এটি সুপরিকল্পিত একটি গভীর চক্রান্ত।
উল্লেখ্য, রবি ও সোমবার এ দুই দিন কুয়াকাটা টুরিস্ট পুলিশের এসআই শাহআলম ও পৌর মেয়র আব্দুল বারেক মোল্লাকে নিয়ে গণমাধ্যমে সরব ছিল কোরাল মাছের খবরটি। খবরে বলা হয়- টুরিস্ট পুলিশের এসআই শাহ-আলমের কিনে রাখা কোরাল মাছ জোর করে নিয়ে গেছেন কুয়াকাটা পৌর মেয়র আবদুল বারেক মোল্লা। 'প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে' দেওয়ার কথা বলে তার মাছ কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ ওই পুলিশ কর্মকর্তার।
বিষয়টি জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, টুরিস্ট পুলিশ সুপার, বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি এবং কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে (ইউএনও) অবহিত করা হয়েছে বলেও জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।