ইনজুরি আর ফর্মহীনতা কাটিয়ে তাসকিন আহমেদের নিউজিল্যান্ডগামী জাতীয় দলে ফেরাটা হয়েছে দারুণ। চলমান বিপিএলে ১০ ম্যাচে সিলেট সিক্সার্সের পেসারের শিকার ২০ উইকেট। দুই ম্যাচে ৪টি করে। এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি। গতকাল এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে এই বিপিএল সেরা পারফরম্যান্সের জন্য পাকিস্তানি কোচ ওয়াকার ইউনুসের খুব প্রশংসা করলেন তাসকিন। সিলেটের কোচ ওয়াকার অবশ্য বিনয়ের সঙ্গে জানাচ্ছেন, তাসকিন কঠোর পরিশ্রমে নিজেই সব করেছেন। কিন্তু এই বোলারের খরুচে স্বভাবের সমস্যাটা যে কিংবদন্তি পেসারও দূর করতে পারছেন না!
এইনজুরি আর ফর্মহীনতা কাটিয়ে তাসকিন আহমেদের নিউজিল্যান্ডগামী জাতীয় দলে ফেরাটা হয়েছে দারুণ। চলমান বিপিএলে ১০ ম্যাচে সিলেট সিক্সার্সের পেসারের শিকার ২০ উইকেট। দুই ম্যাচে ৪টি করে। এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি। গতকাল এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে এই বিপিএল সেরা পারফরম্যান্সের জন্য পাকিস্তানি কোচ ওয়াকার ইউনুসের খুব প্রশংসা করলেন তাসকিন। সিলেটের কোচ ওয়াকার অবশ্য বিনয়ের সঙ্গে জানাচ্ছেন, তাসকিন কঠোর পরিশ্রমে নিজেই সব করেছেন। কিন্তু এই বোলারের খরুচে স্বভাবের সমস্যাটা যে কিংবদন্তি পেসারও দূর করতে পারছেন না!
একনজর বুলিয়ে নেওয়া যাক নিচের পরিসংখ্যানে
বিপিএল ইতিহাসের সেরা বোলিং ফিগারের শীর্ষ দশে তাসকিন।
বিপিএলের পঞ্চম সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি। ৪৩ ম্যাচে ৬১টি।
৪ বা তার বেশি উইকেটশিকারির রেকর্ডে যুগ্মভাবে শীর্ষে। চারবার এই কীর্তি। মোট তিনজনের আছে এই গৌরব। বাংলাদেশের দুজনার মধ্যে অন্যজন সাকিব আল হাসান।
স্ট্রাইকরেটে বিপিএলের রেকর্ডে পঞ্চম সেরা। ১৪.৪।
এবারের স্ট্রাইকরেট ৯.৬। শীর্ষ শিকারিদের মধ্যে সেরা। সবার মধ্যে তৃতীয় সেরা।
এবারের টুর্নামন্টে ম্যাচসেরা স্ট্রাইকরেটে দ্বিতীয় সেরা। ৩.৫। ফিগার ১.১-০-৬-২।
বিপিএলে গড় ২০.৫৭। রেকর্ডে ১৭তম।
এবারের বিপিএলের গড় ১৩.৭০। ষষ্ঠ সেরা।
বিপিএলে ইকোনমি ৮.৫১। বিপিএল ইতিহাসের সেরা ইকোনমি রেটের তালিকার ৫০ জনের মধ্যেও নেই।
এবারের বিপিএলেও ইকোনমি ৮.৫১। এবারের সেরা ৩০ জনেও নেই।
জাতীয় দলে টি-টোয়েন্টিতে ওভারপ্রতি তাসকিন এতদিন দিয়েছেন ৭.৮৪ রান। সব মিলে টি-টোয়েন্টিতে যে খরচাটা ৮.৩৩। বিপিএলের রেকর্ডে এবং এবারের আসরেও ঠিক ৮.৫১ ইকোনমি রেট তার। বেশি বেশি খরচ যেন তাসকিনের মজ্জাগত হয়ে গেছে। তার কিছু ব্যাপার সংশোধন করা গেলেও এখানে কিছু হচ্ছে না।
মোস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিনের বোলিং ভূমিকা প্রায় একরকম। কিন্তু ফিজ ওভারপ্রতি ৬.৪১ রান দিয়ে সেরার তালিকার দ্বাদশ বোলার।
২০১৭ সালের শেষে জাতীয় দলে খেলা তাসকিন গুরু ওয়াকারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলছিলেন, ‘২০১৮ সালে অনেক কঠোর পরিশ্রম করেছি। আমাদের সিলেটের প্রধান কোচ ওয়াকার ইউনুস অনেক সাহায্য করেছেন। ছোট ছোট ভুলগুলো উনি ধরিয়ে দিয়েছেন।’
একই মাঠে কাছাকাছি সময়ে তাসকিনের উন্নতির প্রসঙ্গে তার অবদানের কথা এলে ওয়াকার বললেন, ‘তাসকিনের কিছু আমি করিনি। তাসকিন নিজে করেছে। সে কঠোর পরিশ্রমী এবং ভালো শিক্ষার্থী। আমি তার কোনো কিছু বদলাইনি। যা করতে অভ্যস্ত সে যেন তাই করে সেটাই নিশ্চিত করেছি শুধু। ইনজুরিতে ছিল। তাই কিছু দ্বিধা ছিল ওর। এমন সময়ে দলে ফিরতে সহায়তা করার মতো মানুষ লাগে। এখানেও তাই ঘটেছে।’
কনজর বুলিয়ে নেওয়া যাক নিচের পরিসংখ্যানে
বিপিএল ইতিহাসের সেরা বোলিং ফিগারের শীর্ষ দশে তাসকিন।
বিপিএলের পঞ্চম সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি। ৪৩ ম্যাচে ৬১টি।
৪ বা তার বেশি উইকেটশিকারির রেকর্ডে যুগ্মভাবে শীর্ষে। চারবার এই কীর্তি। মোট তিনজনের আছে এই গৌরব। বাংলাদেশের দুজনার মধ্যে অন্যজন সাকিব আল হাসান।
স্ট্রাইকরেটে বিপিএলের রেকর্ডে পঞ্চম সেরা। ১৪.৪।
এবারের স্ট্রাইকরেট ৯.৬। শীর্ষ শিকারিদের মধ্যে সেরা। সবার মধ্যে তৃতীয় সেরা।
এবারের টুর্নামন্টে ম্যাচসেরা স্ট্রাইকরেটে দ্বিতীয় সেরা। ৩.৫। ফিগার ১.১-০-৬-২।
বিপিএলে গড় ২০.৫৭। রেকর্ডে ১৭তম।
এবারের বিপিএলের গড় ১৩.৭০। ষষ্ঠ সেরা।
বিপিএলে ইকোনমি ৮.৫১। বিপিএল ইতিহাসের সেরা ইকোনমি রেটের তালিকার ৫০ জনের মধ্যেও নেই।
এবারের বিপিএলেও ইকোনমি ৮.৫১। এবারের সেরা ৩০ জনেও নেই।
জাতীয় দলে টি-টোয়েন্টিতে ওভারপ্রতি তাসকিন এতদিন দিয়েছেন ৭.৮৪ রান। সব মিলে টি-টোয়েন্টিতে যে খরচাটা ৮.৩৩। বিপিএলের রেকর্ডে এবং এবারের আসরেও ঠিক ৮.৫১ ইকোনমি রেট তার। বেশি বেশি খরচ যেন তাসকিনের মজ্জাগত হয়ে গেছে। তার কিছু ব্যাপার সংশোধন করা গেলেও এখানে কিছু হচ্ছে না।
মোস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিনের বোলিং ভূমিকা প্রায় একরকম। কিন্তু ফিজ ওভারপ্রতি ৬.৪১ রান দিয়ে সেরার তালিকার দ্বাদশ বোলার।
২০১৭ সালের শেষে জাতীয় দলে খেলা তাসকিন গুরু ওয়াকারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলছিলেন, ‘২০১৮ সালে অনেক কঠোর পরিশ্রম করেছি। আমাদের সিলেটের প্রধান কোচ ওয়াকার ইউনুস অনেক সাহায্য করেছেন। ছোট ছোট ভুলগুলো উনি ধরিয়ে দিয়েছেন।’
একই মাঠে কাছাকাছি সময়ে তাসকিনের উন্নতির প্রসঙ্গে তার অবদানের কথা এলে ওয়াকার বললেন, ‘তাসকিনের কিছু আমি করিনি। তাসকিন নিজে করেছে। সে কঠোর পরিশ্রমী এবং ভালো শিক্ষার্থী। আমি তার কোনো কিছু বদলাইনি। যা করতে অভ্যস্ত সে যেন তাই করে সেটাই নিশ্চিত করেছি শুধু। ইনজুরিতে ছিল। তাই কিছু দ্বিধা ছিল ওর। এমন সময়ে দলে ফিরতে সহায়তা করার মতো মানুষ লাগে। এখানেও তাই ঘটেছে।’