চট্টগ্রাম নগরের যানজট নিরসন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কয়েকটি প্রস্তাব দিয়েছে ‘জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই’ শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের কর্মকর্তারা। প্রথমেই নগরের মোড়ে মোড়ে গাড়ি থামানো ও পার্কিং বন্ধের বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। গতকাল বুধবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার মাহাবুবুর রহমানের কাছে লিখিত প্রস্তাব পেশ করেন নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।
প্রস্তাবনাগুলোর মধ্যে বাধ্যতামূলকভাবে সরকারি-বেসরকারি বড় স্কুল ও কলেজে বাস সার্ভিস চালু, মার্কেটগুলোতে পে-পার্কিং চালু ও নির্দিষ্ট স্থানের বাইরে পার্কিং বন্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি রয়েছে। এছাড়া শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের যাতায়াত পথে গড়ে ওঠা বৈধ-অবৈধ কন্টেইনার টার্মিনালের কারণে যাত্রীরা স্বাভাবিকভাবে বিমানবন্দর ব্যবহার করতে পারছে না উল্লেখ করে ট্রেইলার কাভার্ড ভ্যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও সল্টগোলা ক্রসিং থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত ট্রাক নিয়ন্ত্রণ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। মাদক নিয়ন্ত্রণে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা, স্কুল ও কলেজে ক্লাস চলাকালীন পুলিশি তৎপরতা বৃদ্ধি এবং পতেঙ্গা থেকে কাট্টলী সমুদ্র উপকূলে গড়ে ওঠা হোটেল-রেস্তোরাঁ দুপুর ২টা পর্যন্ত বন্ধ রাখার প্রস্তাব রয়েছে।
সিএমপি কমিশনার প্রস্তাবগুলো লিখিত আকারে উপস্থাপন করায় ধন্যবাদ জানিয়ে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন। এ সময় সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) আমেনা বেগম, উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর) হামিদুল আলম উপস্থিত ছিলেন।