রচনামূলক প্রশ্নের ৪র্থ সেট কেন্দ্রে না থাকায় উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে প্রশ্ন সংগ্রহ করে প্রায় ৪০ মিনিট পর তা বিতরণ করা হয় পরীক্ষার্থীদের মাঝে। শনিবার শুরু হওয়া এসএসসি পরীক্ষায় এমন কাণ্ড ঘটেছে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে।
কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার দুয়ারিয়া এজি মডেল একাডেমি কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. আসাদুজ্জামান।
তিনি জানান, কুমিল্লা বোর্ডে চারটি সেটের মধ্যে ৪নং সেটে পরীক্ষা নেওয়ার কথা ছিল, বোর্ড থেকে ৪ সেটের প্রশ্নপত্রই পাঠানো হয়েছে ইউএনওর কাছে। ইউএনও’র দায়িত্বে ও তত্ত্বাবধানে কেন্দ্র সচিবের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র প্রতিটি কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়ার কথা।
তিনি জানান, কিন্তু শিক্ষার্থীদের কাছে প্রশ্নপত্র পৌঁছে দিতে চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছেন ইউএনও। ৪নং সেট বাদে ৩ সেটের প্রশ্নপত্র কেন্দ্রওয়ারি পৌঁছে দেন তিনি। বোর্ডের সংগৃহীত ৪র্থ সেটের ট্রাংকটি পড়ে থাকে ইউএনও’র নিরাপত্তা হেফাজতে। ৪০ মিনিট পর পার্শ্ববর্তী কেন্দ্রে থাকা অতিরিক্ত প্রশ্নপত্র এনে ওই কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের দেওয়া হয়।
কেন্দ্রের একাধিক পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানান, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের উপ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধ্যমিক মো. শহিদুল ইসলামকে দ্রুত দেবীদ্বার দুয়ারিয়া এজি মডেল একাডেমি কেন্দ্রে পাঠানো হয় শিক্ষা বোর্ড থেকে। ঘটনাস্থলে যায় কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। ইউএনও রবিন্দ্র চাকমাও কেন্দ্রে আসেন। দ্রুত পরীক্ষা নেয়ার ব্যবস্থা করে সময় বাড়িয়ে পরীক্ষা নেয়া হয়।
এ বিষয়ে ইউএনও রবিন্দ্র চাকমা জানান, কেন্দ্র সচিব ৪নং সেটের প্রশ্ন না নিয়ে কেন্দ্রে চলে যায়। আপনার অবহেলায় এমনটি হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি প্রতিটি সেট আলাদা করে কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি, ভুলটি হয়েছে কেন্দ্র সচিবের অবহেলায়।
এ ঘটনায় কেন্দ্র সচিব মো. সেলিমকে প্রত্যাহার করে অন্য সহকারীদের শোকজ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।