ধর্ষণের শিকার পাঁচ বছরের শিশুটি কান্না করছিল। বাড়ি ফিরে সবার কাছে ধর্ষকের কথা প্রকাশ করতে চেয়েছিল। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রিফাত শিশুটিকে ইট দিয়ে থেঁতলে হত্যা করে জঙ্গলে ফেলে পালিয়ে যায়।
এসব তথ্য জানিয়েছেন র্যাব-২ এর অধিনায়ক সারোয়ার বিন কাশেম।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাবের সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, গাজীপুরের শফিপুরে শিশু আফান্নুম তাহিকে (৫) ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ জঙ্গলে ফেলে রেখে যায় কে বা কারা। পরে ঘটনার তদন্তে শিশুটির বাবার মুরগির খামারের কর্মচারী রিফাতের নাম বেরিয়ে আসে।
র্যাব জানায়, একপর্যায়ে বুধবার দিবাগত রাতে টঙ্গীর বোর্ডবাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর র্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রিফাত ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে।
সারোয়ার বিন কাশেম বলেন, ২৭ জানুয়ারি গাজীপুরের শরিফপুর এলাকার একটি কাশবন থেকে শিশু তাহির লাশ উদ্ধার করা হয়। সে স্থানীয় মাতৃছায়া আইডিয়াল স্কুলের নার্সারি শ্রেণির ছাত্রী। ঘটনার দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তার বাসার পাশে নানার বাসায় গোসল করতে যায়। পরবর্তীতে তাকে অনেক খোঁজাখুঁজির পর পাশের একটি কাশবন থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
রিফাতকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে র্যাব-১ এর অধিনায়ক জানান, রিফাত ভুক্তভোগী রাহির বাবার টার্কি মুরগির ফার্মে কাজ করত। তাহিকে বাড়ির পাশে কাশবনে নিয়ে ধর্ষণ করে রিফাত। পরবর্তীতে তাহি কান্নাকাটি করে এবং বলে যে, বাড়ি গিয়ে সবাইকে বলে দেবে। তখন রিফাত পাশে থাকা ইট দিয়ে মাথায় একের পর এক আঘাত করে তাহির মৃত্যু নিশ্চিত করে এবং পালিয়ে যায়।