কুমিল্লার হোমনায় চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে সুভাস চন্দ্র দাস নামে এক পল্লি চিকিৎসককে।
সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের দুলালপুর বাজারের একটি ফার্মেসিতে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
আটক ধর্ষক সুভাস চন্দ্র দাস উপজেলার চণ্ডীপুর গ্রামের ডাক্তার এবং একই সঙ্গে দুলালপুর পোস্ট অফিসের পোস্ট মাস্টার।
উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের সাপলেজী গ্রামের দুলালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী বিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফেরার পথে পল্লি চিকিৎসক ছাত্রীটিকে সিভিটা চকলেট খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে তার ফার্মেসিতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে।
ধর্ষণের শিকার ছাত্রী চিৎকার দিতে চাইলে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে কাউকে না বলতে নিষেধ করে ছেড়ে দেয়। বাড়িতে যাওয়ার পর ব্যথায় কাতরালে মাকে একপর্যায়ে বিষয়টি জানায়।
স্থানীয় চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে একটি মহল বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করলেও এলাকার উত্তেজিত লোকজন সুভাষকে আটক করে গণধোলাই দেয়। রাত আটটার দিকে অবস্থা বেসামাল হয়ে পড়লে চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন সওদাগর থানা-পুলিশকে খবর দিয়ে ধর্ষককে পুলিশে সোপর্দ করে। ধর্ষণের শিকার ছাত্রী বর্তমানে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন এবং ধর্ষক সুভাষ পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে হোমনা থানা-পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।