কলকাতায় চার দিনব্যাপী দ্বিতীয় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
শুক্রবার বিকেলে কলকাতার নন্দন চলচ্চিত্র কেন্দ্রের দু’নম্বর প্রেক্ষাগৃহে এই চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন হয়। কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের সহায়তায় বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় এই উৎসবের আয়োজন করেছে। ১৫ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি কলকাতার নন্দন কেন্দ্র ও নজরুল তীর্থে বাংলাদেশের ২৩ টি সিনেমা প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। গতকাল তথ্যমন্ত্রীর দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ-ভারতের বন্ধুত্বকে আরেক ধাপ এগিয়ে নিতে জনপ্রিয় গণমাধ্যম হিসেবে চলচ্চিত্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হাছান মাহমুদ বলেন, চলচ্চিত্র মাধ্যমটি মানুষকে সবচেয়ে বেশি কাছে টানে, মানুষের মাঝে আবেগ সঞ্চার করে, তাকে ভাবতে শেখায়। বাংলাদেশ ও ভারতে দু’দেশের চলচ্চিত্র প্রদর্শনী দু’দেশের সম্পর্ককে আরো গভীর করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। বিজাতীয় আগ্রাসন মোকাবিলা করে বাঙালি সংস্কৃতিকে বুকে ধরে রাখতে দুই বাংলা এক সঙ্গে কাজ করবে- এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সমগ্র বিশ্বের সকল জাতিসত্তা আজ বিশ্বায়ন মোকাবিলার চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড়িয়ে। নিজস্ব কৃষ্টি-সংস্কৃতি, ইতিহাস-ঐতিহ্য, নীতি-নৈতিকতা বুকে ধারণ করার চ্যালেঞ্জ জয়ে কোনো ছাড় নয়। আমরা পাশ্চাত্যকে জানবো, নিজেদের সমৃদ্ধ করবো, কিন্তু কোন অনুকরণ নয়।
অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন না হলে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির চর্চা ও বিকাশ এ পর্যায়ে উন্নীত হতো না। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ ও দুই-বাংলার খ্যাতিমান চলচ্চিত্র পরিচালক গৌতম ঘোষ বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।