দু’দিন এগিয়েছে ঐক্যফ্রন্টের গণশুনানি

দু’দিন এগিয়ে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে আগামী শুক্রবার গণশুনানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। মতিঝিলে ফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের আইনি চেম্বারে অনুষ্ঠিত স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়।

মঙ্গলবার বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে ড. কামাল বলেন, ফ্রন্টের গণশুনানি ছিল ২৪ ফেব্রুয়ারি। তবে এটি হবে ২২ ফেব্রুয়ারি। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত গণশুনানি চলবে।

কেন দু’দিন এগিয়ে আনা হলো জানতে চাইলে তিনি বলেন, কোথাও জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। সরকার জায়গা বরাদ্দ দিচ্ছে না। ২২ ফেব্রুয়ারি আইনজীবী সমিতির মিলনায়তন ফাঁকা থাকায় বুকিং দেওয়া হয়েছে। এই জন্য তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে।

এই গণশুনানি থেকে ঐক্যফ্রন্ট কী অর্জন করবে- জানতে চাইলে ড. কামাল বলেন, সংবিধানে লেখা আছে- জনগণ ক্ষমতার মালিক। সেদিন জনগণ জানতে পারবে ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কী হয়েছে। তার বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রার্থীরা তুলে ধরবেন।

ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও জেএসডি সভাপতি আ স ম রব সাংবাদিকদের বলেন, গণশুনানিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিক দল বিএনপি, জেএসডি, গণফোরাম, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, নাগরিক ঐক্য ছাড়া বাম ও গণতান্ত্রিক যেসব দল নির্বাচনে অংশ নিয়েছে, তাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে।

নিবন্ধন বাতিল হওয়া সংগঠন জামায়াতে ইসলামীর ২২ জন প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছে। তাদেরকে আমন্ত্রণ জানানো হবে কিনা জানতে চাইলে ড. কামাল বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই।

গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু বলেন, নির্বাচনে ঐক্যফ্রন্টে জামায়াত ছিল না।

ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন হাত পাখা নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল। তাদেরকে গণশুনানিতে আমন্ত্রণ জানানো হবে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে আ স ম আবদুর রব বলেন, বিষয়টি বিবেচনা করে দেখা হবে।

দেড় ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী, জগলুল হায়দার আফ্রিক, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের হাবিবুর রহমান তালুকদার খোকা, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, শহিদুল্লাহ কায়সার, বিকল্পধারার অধ্যাপক নুরুল আমিন ব্যাপারী, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ।