যশোরের শার্শা উপজেলার উলাশিতে গুলিবিদ্ধ লাশটি শহরের বাচ্চু ড্রাইভারের ছেলে ইবাদত হোসেন বাবুর (৩০)। মৃতদেহ যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে আনার পর তার পরিচয় শনাক্ত করেন পরিবারের সদস্যরা। এ সময় তারা দাবি করেছেন, তিন দিন আগে পুলিশ বাবুকে আটক করেছিল।
শার্শা থানার এএসআই কবির হোসেন জানান, বুধবার ভোরে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে নাভারণ-সাতক্ষীরা সড়কের পাশে কুচিয়ামোড়া নামক স্থান থেকে গুলিবিদ্ধ মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। মৃতদেহের পাশে একটি ওয়ানশুটার গান, একটি গুলি ও দেড় কেজি গাঁজা পাওয়া যায়।
ধারণা করা হচ্ছে দুইদল মাদক ব্যবসায়ীর গোলযোগে তার মৃত্যু হতে পারে বলে পুলিশ ধারণা করেছে।
এদিকে হাসপাতাল মর্গে মৃতদেহের পরিচয় শনাক্ত করেছেন তার দুই ভাই। হাসপাতাল মর্গে কর্তব্যরত পুলিশের উপপরিদর্শক রুহুল আমিন জানান, নিহতের বড় ভাই সবুজ হোসেন ও সাগর হোসেন পরিচয় শনাক্ত করেন। নিহত ইবাদত হোসেন বাবু যশোর শহরের ষষ্টিতলা পাড়ার বাচ্চু ড্রাইভারের ছেলে।
নিহতের বড় ভাই সবুজ বলেন, তিন দিন আগে বাবুকে তার শ্বশুরবাড়ি এলাকা যশোর শহরের চাঁচড়া রায়পাড়া থেকে আটক করে নিয়ে যান কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক হাসানুর রহমান। এরপর থেকে সে নিখোঁজ। ‘আজ শার্শায় ক্রসফায়ারের কথা শুনে হাসপাতালে এসে দেখি আমার ভাইয়ের লাশ।
এদিকে যশোর কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক হাসানুর রহমান বলেন, এ ঘটনা সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না।
বাবুকে তিনি আটক করেননি বলে দাবি করেন।