কিশোরগঞ্জের ১৩ উপজেলার পাঁচটিতে নতুন মুখ

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ জেলার ১৩টি উপজেলায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে পাঁচজনই নতুন মুখ। তৃতীয় ধাপে আগামী ২৪ মার্চ নৌকা মার্কা নিয়ে ভোটযুদ্ধে অবতীর্ণ হবেন তারা।

চূড়ান্ত তালিকায় কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাকাউদ্দিন আহাম্মদ রাজন, করিমগঞ্জ উপজেলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক আলহাজ নাসিরুল ইসলাম খান আওলাদ, তাড়াইল উপজেলায় উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বর্তমান চেয়ারম্যান আজিজুল হক ভূঞা মোতাহার, ইটনা উপজেলায় বর্তমান চেয়ারম্যান চৌধুরী কামরুল হাসান, মিঠামইন উপজেলায় রাষ্ট্রপতির ছোট বোন আছিয়া আলম, অষ্টগ্রাম উপজেলায় বর্তমান চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম জেমস, হোসেনপুর উপজেলায় জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শাহজাহান পারভেজ, পাকুন্দিয়া উপজেলায় বর্তমান চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রেনু, কটিয়াদী উপজেলায় যুব মহিলা লীগের সহ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক তানিয়া সুলতানা হ্যাপী, বাজিতপুর উপজেলায় বর্তমান চেয়ারম্যান ছারওয়ার আলম, নিকলী উপজেলায় বর্তমান চেয়ারম্যান কারার সাইফুল ইসলাম, কুলিয়ারচর উপজেলায় সৈয়দ হাসান সারওয়ার মহসিন এবং ভৈরব উপজেলায় আওয়ামী লীগ সভাপতি সায়েদুল্লাহ মিয়া আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন। মনোনয়নপ্রাপ্ত ১৩ প্রার্থীর মধ্যে প্রথমবারের মতো প্রার্থীরা হলেন কিশোরগঞ্জ সদরে সাকাউদ্দিন আহাম্মদ রাজন, মিঠামইনে আছিয়া আলম, ভৈরবে সায়েদুল্লাহ মিয়া, কটিয়াদীতে তানিয়া সুলতানা হ্যাপী এবং হোসেনপুরে শাহজাহান পারভেজ।

নতুন মুখ কিশোরগঞ্জ সদরের সাকাউদ্দিন আহাম্মদ রাজন মনোনয়নপ্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে আসছি। এখন তৃণমূলের ইচ্ছা অনুযায়ী ত্যাগী নেতা হিসেবে দল মনোনয়ন দেওয়ায়

কৃতজ্ঞতা জানাই। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে সদর উপজেলাকে মডেল উপজেলায় রূপান্তরে আপ্রাণ চেষ্টা করব।’ মিঠামইন উপজেলায় নৌকার মনোনয়নপ্রাপ্ত আছিয়া আলম যোগাযোগব্যবস্থায় বিশেষ দৃষ্টি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বলেন, ‘নির্বাচিত হলে প্রত্যন্ত হাওরের এ উপজেলাবাসীর সহজ ও দ্রুত যোগাযোগব্যবস্থা নিশ্চিত করব। উপজেলার নারীদের কর্মসংস্থানের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণ চালু করা হবে।’