হাতিরঝিলের অবৈধ স্থাপনা কেন ভাঙা হবে না জানতে চেয়ে রুল

হাতিরঝিল-বেগুনবাড়ি প্রকল্পের লে-আউট প্ল্যান (নকশা) বহির্ভূত রেস্টুরেন্ট ও অন্যান্য স্থাপনা ভেঙে ফেলতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না- এ মর্মে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যাতে লে-আউট প্ল্যান বহির্ভূত কোনো স্থাপনা সেখানে তৈরি না হয়, সে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কেন আদেশ দেওয়া হবে না তাও জানতে চেয়েছে আদালত।

এ সংক্রান্ত এক সম্পূরক আবেদনের ওপর বুধবার শুনানি নিয়ে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। দুই সপ্তাহের মধ্যে রাজউক চেয়ারম্যান, হাতিরঝিল-বেগুনবাড়ি প্রকল্পের পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট সাতজনকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

হাইকোর্টে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে এ আবেদনটি করেন সংগঠনের সভাপতি ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। আদালতে তিনি নিজেই শুনানি করেন।

এর আগে গত বছরের ১০ সেপ্টেম্বর এইচআরপিবি’র করা এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে হাতিরঝিল-বেগুনবাড়ি প্রকল্পের নকশা বহির্ভূত স্থাপনা সাত দিনের মধ্যে অপসারণ করতে নির্দেশ এবং ওই সব স্থাপনা অপসারণে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতা কেন  অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে রুল জারি করেছিল হাইকোর্ট। পরে হাইকোর্টের এ আদেশ স্থগিত চেয়ে হাতিরঝিলের নকশাবহির্ভূত স্থাপনার কয়েকজন মালিক আপিল বিভাগে আবেদন করেন। 

আবেদনের শুনানি নিয়ে গত বছরের ১৪ অক্টোবর স্থাপনা অপসারণের আদেশের ওপর স্থিতাবস্থা জারি করে আপিল বিভাগ। পাশাপাশি হাইকোর্টের জারি করা রুল দুই মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেয় সর্বোচ্চ আদালত।

মনজিল মোরসেদ বলেন, নকশা বহির্ভূত স্থাপনা উচ্ছেদের ওপর আপিল বিভাগ স্থিতাবস্থা জারি করে রুল নিষ্পত্তির আদেশ দিয়েছিলেন। এখন রুল নিষ্পত্তি হবে। কিন্তু রুলে অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলার বিষয়টি ছিল না। তাই এক সম্পূরক আবেদনে হাতিরঝিলের নকশা বহির্ভূত স্থাপনা ভেঙে ফেলার নির্দেশনা চাওয়া হয়। শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন।