চীনের কাছে ৩-০ গোলে হেরে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ বাছাইপর্বের দ্বিতীয় রাউন্ডে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে পারল না বাংলাদেশ। এশিয়ার সেরা হওয়ার টুর্নামেন্টের মূল পর্বে মেয়েদের যেতে হচ্ছে রানার্সআপ হয়ে। আগের ম্যাচে চূড়ান্ত পর্ব নিশ্চিত হওয়ায় বাংলাদেশ রোববার অনেকটা নির্ভার ছিল।
মিয়ানমারের মানদালার থিরি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সেই নির্ভরতা মাঠে কাজে লাগাতে পারেনি। প্রথম গোল হজম করতে হয় ২৯তম মিনিটে।
চীন ডান উইং ব্যবহার করে আক্রমণে উঠে আসে। দলটির আক্রমণভাগের খেলোয়াড় অনেকটা পথ দৌড়ে কাট করে বক্সে ঢোকেন। বাংলাদেশের গোলরক্ষক রুপনা চাকমাকে বলে আসতে দেখে মাঝমাঠ দিয়ে উঠে আসা সতীর্থকে বল দেন। অরক্ষিত সেই খেলোয়াড় অনায়াসে বল জালে পাঠান।
চীন দ্বিতীয় গোল পায় মাঝমাঠ দিয়ে আক্রমণে উঠে। বিরতির পর প্রথম মিনিটে লম্বা দেহী এক স্ট্রাইকার ডিফেন্ডারদের সামনে দিয়েই বক্সে ঢুকে পড়েন। তাকে ঠেকাতে বাংলাদেশের কেউ চেষ্টা করেননি। বাধ্য হয়ে বার ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হয় গোলরক্ষককে। তিনি বল ধরতে চেষ্টা করলে সফল হতে পারতেন। তা না করে পা দিয়ে ক্লিয়ার করতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনেন। চীনা কিশোরীর আলতো টোকায় ব্যবধান হয়ে যায় ২-০।
তৃতীয় গোলটি হয় ৫৩তম মিনিটে। এটিও প্রায় দ্বিতীয় গোলের মতো। ডিফেন্ডারদের ফাঁকি দিয়ে প্রতিপক্ষ স্ট্রাইকার বক্সে ঢুকে পড়েন। কেউ না থাকায় বাংলাদেশের গোলরক্ষক বার ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। এবারও দেখেশুনে বল জালে প্লেস করেন প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়।
গ্রুপের প্রথম দুটি ম্যাচে ফিলিপাইন ও মিয়ানমারের বিপক্ষে জয় পায় বাংলাদেশ। ফিলিপাইনকে ১০-০ গোলে উড়িয়ে দেওয়ার পর স্বাগতিক মিয়ানমারের বিপক্ষে ১-০ গোলের জয়ে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য চূড়ান্ত পর্বের টিকিট পায় লাল-সবুজের মেয়েরা।
গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে চীনের প্রয়োজন ছিল ড্র। বাংলাদেশকে জিততে হতো।