যশোরের শিশু কন্যা তৃষা ধর্ষণ ও হত্যার বিচার এবং সন্দেহভাজন খুনি শামিমকে আটকের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী। মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত শহরতলীর ধর্মতলায় যশোর-ঝিনাইদহ সড়ক অবরোধ করে শত শত নারী, পুরুষ ও শিশু শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে অংশ নেয়।
এ সময় তারা সন্দেহভাজন খুনি শামিমের আটক ও বিচার দাবি করে স্লোগান দেন। এদিকে এ ঘটনায় মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রোববার বিকেলে খেলা করতে গিয়ে কারবালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী তৃষা নিখোঁজ হয়। সোমবার সন্ধ্যার দিকে বাড়ির পাশে গর্ত দেখে সন্দেহ হয় স্থানীয়দের।
গর্তটি খুঁড়ে তৃষার লাশ পাওয়া যায়। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও তৃষার সহপাঠীরা বিচারের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। তৃষার শোকাহত মা জোসনা খাতুর ও বাবা তরিকুল ইসলামও মানববন্ধনে ছিলেন।
এ সময় রাস্তার দুধারে যানবাহনের দীর্ঘলাইন পড়ে যায়। এলাকাবাসী ও তৃষার সহপাঠীরা নির্মম এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত হিসেবে তাদের প্রতিবেশী শামিমকে দায়ী করেছে।
এদিকে যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি অপূর্ব হাসান জানিয়েছেন, তৃষাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে তারা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন। এ ঘটনায় তৃষার বাবা তরিকুল ইসলাম মামলা করেছেন এবং অভিযুক্তকে সনাক্ত করা হয়েছে। আসামিকে আটক করতে অভিযান অব্যাহত আছে। এছাড়া ওসি এলাকাবাসীকে প্রশাসনের উপর আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।