যুক্তরাজ্যের যুবরাজ চার্লসের একটি দাতব্য সংস্থা প্রতারণার মাধ্যমে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বিশাল অঙ্কের অনুদান নিয়েছে। অফশোর বা বিদেশি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এই অর্থ আসত রাশিয়া থেকে। গার্ডিয়ান এবং বিবিসির অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এসব খবর জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ঘটনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক তদন্ত শুরু হয়েছে।
রাশিয়ান নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ওই অর্থ নেয়া হয় ভ্লাদিমির পুতিনের শাসনামলেই। প্রায় ৭০টি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে মোট নেওয়া হয়েছে ৪.৬ বিলিয়ন ডলার! সব অর্থ ইউরোপ এবং আমেরিকায় পাঠিয়ে দেয়া হয়।
চার্লসের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়েছে। বলা হচ্ছে, এটি একটি সংগঠিত অপরাধ।
এই ‘অপরাধে’র কথা জানত রাশিয়ার বেসরকারি ব্যাং ট্রোইকিা ডায়ালগ। ওই সময় ব্যাংকটির দায়িত্বে ছিলেন রুবেন ভারদানিয়ান। তিনি দাবি করেছেন, এসব বিষয়ে কিছুই তারা জানা নেই।
ব্যাংকের ফাঁস হওয়া তথ্য থেকে জানা গেছে, ২০০৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত প্রিন্সের সংস্থা তিনটি পেমেন্ট গ্রহণ করে।
চার্লসের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ প্রথম নয়। ‘প্যারাডাইস পেপারস’ থেকে ২০১৭ সালে জানা যায়, তার ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন অফশোর কোম্পানি ও তহবিলে মিলিয়ন মিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগ করেছে। এভাবে বিনিয়োগের মাধ্যমে কর ফাঁকি দিয়ে বিপুল অঙ্কের মুনাফা কামিয়েছেন তিনি।