বৈমানিক থাকাকালে ধর্ষণের শিকার হন মার্কিন সিনেটর

যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীতে থাকাকালীন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা দ্বারা শিকার হয়েছিলেন দেশটির যুদ্ধ বিমানের প্রথম নারী পাইলট। যৌন নিপীড়নের শিকার মার্থা ম্যাক্সালি বর্তমানে মার্কিন সিনেটর।

বিবিসি জানায়, সামরিক বাহিনীতে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ তদন্তে মুখ খুলেন মার্থা। এক শুনানিতে তিনি জানান, বিমান বাহিনীতে থাকতে লজ্জাবোধ থেকে সে সময় তা প্রকাশ করেননি।

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে যুদ্ধ বিমানের প্রথম এ নারী পাইলট এখন অ্যারিজোনার এ রিপাবলিকান সিনেটর। মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য হিসেবে দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন মার্থা।

তিনি বলেন, “মুখলজ্জার ভয়ে এ ঘটনা আমি প্রকাশ করেনি। আমার মধ্য তখন সংসয় কাজ করছিল। এছাড়া ব্যবস্থাপনার ওপরেও কোনো ধরনের আস্থা কাজ করছিল না।”

এ বিষয়ে তদন্ত চালানো আর্মড সার্ভিস সাবকমিটিকে মার্থা বলেন, “আমি অনেক বছর এ নিয়ে চুপ ছিলাম।”

তিনি বলেন, “চাকরি শেষে মনে হলো আমি যেহেতু এখনো বেঁচে আছি, অতএব সামরিক বাহিনীর এসব কেলেঙ্কারি ও অনিয়ম সমূহ প্রকাশের প্রয়োজন মনে করলাম।”

তবে ধর্ষিত হওয়ার পর হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়ায় ১৮ বছর ধরে তিনি বাহিনীর কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তেমন সম্পৃক্ত ছিলেন না বলে মার্থা জানান।

তিনি বলেন, “ধর্ষিত হওয়া যে কোন ভুক্তভোগীর মতোই আমারও মনে হতো, পুরো ব্যবস্থাপনাটাই আমাকে বারবার ধর্ষণ করছিল।”

২৬ বছর বিমান বাহিনীতে ছিলেন মার্থা। কর্নেল পদমর্যাদা থেকে ২০১০ সালে তিনি অবসরে যান।