নাটোরে পাঁচ উপজেলায় বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ, আহত-আটক ও প্রিসাইডিং অফিসারকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কারাদ- প্রদানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে। লালপুর উপজেলার রহিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নারী ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী আকতার বানুকে একটি নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট প্রদানে প্রভাবিত করার অভিযোগে সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার মো. আতিকুর রহমানকে সাত দিনের কারাদ- দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির মুন্সি।
এই কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। কেন্দ্রের বাইরে কিছু লোকজন দেখা গেলেও ভোটারদের উপস্থিতি ছিল কম। কয়েকটি স্থানে নির্বাচন-পূর্ববর্তী সংঘর্ষ হওয়ায় ভোট সুষ্ঠুভাবে স¤পন্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
সিংড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চৌগ্রামের নিমাকদমা ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে শাহরিয়ার পায়েল ও তাজুল ইসলাম রিপনকে স্ট্রাইকিং ফোর্স আটক করে বলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেসমিন আকতার বানু জানান। বাগাতিপাড়া উপজেলার দুটি কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের পৃথক সংঘর্ষে নাজমুল হোসেন ও আদম আলী নামে দুজন আহত হন। তারা স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
ভোটকেন্দ্র দখলের ‘চেষ্টা’
এদিকে নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের আগের রাতে একটি ভোটকেন্দ্র দখল-চেষ্টার অভিযোগ ওঠে। উপজেলার পৌর এলাকার খলিফাপাড়া রেজাউল করিম দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
ওই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার ও স্থানীয়রা জানান, গত শনিবার রাতে গুরুদাসপুর পৌর যুবলীগের সভাপতি আবু তাহেরের নেতৃত্বে নৌকার প্রার্থী জাহিদুল ইসলামের সমর্থকরা ওই কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করে।
ওসি মোজাহারুল ইসলাম বলেন, ঘোড়া ও নৌকার সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে পুলিশ গিয়ে তাদের শান্ত করে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যুবলীগের ওই নেতাকে আটক করে পরে ছেড়ে দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, এ উপজেলায় ঘোড়া প্রতীকে নির্বাচন করেন আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী আনোয়ার হোসেন। তিনি স্থানীয় সাংসদ আবদুল কুদ্দসের পালক ছেলে।