নড়াইলে এক প্রবাসীর স্ত্রী খুন হয়েছেন। জলি বেগম (২২) নামে ওই গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার তুলারামপুর ইউনিয়নের চামরুল গ্রামে স্বামীর বাড়ি থেকে পুলিশ তার মৃতদেহ উদ্ধার করে। ঘটনার পর থেকে গৃহবধূর শ্বশুর, শাশুড়ি ও দেবর পলাতক। তার স্বামী পলাশ বিশ্বাস মালয়েশিয়ায় থাকেন।
নিহত জলির মা সেলিনা বেগম অভিযোগ করেন, ‘জলিকে তার শ্বশুর, শাশুড়ি ও দেবর প্রায়ই আমার বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে আসতে বলত। কিন্তু টাকা দেওয়ার মতো অবস্থা আমাদের নেই। এ কারণে আমার মেয়ের ওপর নির্যাতন চালাত তারা। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে কয়েকদিন আগে জলি আমার বাড়িতে চলে আসে।’
সেলিনা বেগম আরও বলেন, ‘আর নির্যাতন করবে না বলে মৌখিক অঙ্গীকার করে গত শুক্রবার বিকেলে জলিকে তার দেবর জুয়েল এসে তাদের বাড়িতে নিয়ে যায়। শনিবার বিকেল ৪টার দিকে জলি আমার সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেছে। বিকেল সোয়া ৪টার দিকে পাশের বাড়ি থেকে ফোন করে জানানো হয়, জলি খুব অসুস্থ। আমরা ওই বাড়িতে গিয়ে দেখি মেয়েকে ওরা মেরে ফেলেছে। জলির দুই বছরের ছেলেকে নিয়ে তার শ্বশুর, শাশুড়ি ও দেবর বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’
নড়াইল সদর থানার ওসি ইলিয়াস হোসেন জানান, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে গৃহবধূর শ্বশুর বক্কার বিশ্বাস, শাশুড়ি জাহেদা বেগম ও দেবর জুয়েল বিশ্বাসকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি।