ভোটারশূন্যতায় কেন্দ্রগুলো খাঁ খাঁ

পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোট চলছে। সোমবার সকাল ৮টা থেকে চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড, সন্দ্বীপ, হাটহাজারী, রাঙ্গুনিয়া ও ফটিকছড়ি উপজেলায় ৪৯৫টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ চলছে। ৫ উপজেলার মধ্যে ফটিকছড়ি উপজেলায় কিছুটা নির্বাচনী উত্তাপ থাকলেও বাকি উপজেলাগুলোতে ভোটারদের তেমন আগ্রহ নেই বললেই চলে। বেশিরভাগ কেন্দ্রেই ভোটারের উপস্থিতি কম।

তফসিল অনুযায়ী দ্বিতীয় ধাপে চট্টগ্রাম উত্তরের ৭ উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও ৫টিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মিরসরাই ও রাউজান উপজেলায় তিন পদেই  (চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান) ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের একক প্রার্থীদের সঙ্গে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় সেখানে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। 

এদিকে, বাকি ৫ উপজেলার মধ্যেও শুধুমাত্র ফটিকছড়িতে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অন্য চারটিতে চেয়ারম্যান পদে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে। তবে ৫ উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যেও সন্দ্বীপে ভাইস চেয়ারম্যান ও রাঙ্গুনিয়ায় মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদেও আওয়ামী লীগের প্রার্থীর সঙ্গে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নেই।

সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রাঙ্গুনিয়ার উপজেলার চন্দ্রঘোনা হাইস্কুল কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, ভোটার শূন্য কেন্দ্র। তেমন কেউ ভোট দিতে আসেননি। তবে কেন্দ্রে ভোটগ্রহণে দায়িত্বরতরা রয়েছেন।

একইভাবে উত্তর রাঙ্গুনিয়ার আলমশাহ পাড়া কেন্দ্রে গিয়েও ভোটারদের উপস্থিতি চোখে পড়েনি। এই উপজেলার ৮৮টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে।

এদিকে, ফটিকছড়ি উপজেলার গোপালঘাটা এমআরসি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গিয়ে দেখা যায়, কেন্দ্রে ভোটারের উপস্থিতিতে না থাকায় কোনো লাইনই নেই। অনেকটা ভোটার শূন্য। এই কেন্দ্রে ২ হাজার ৩২১ ভোটারের মধ্যে সংগ্রহ হয়েছে মাত্র ৮০ ভোট। এছাড়াও বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ফটিকছড়ি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ কেন্দ্রে গিয়েও দেখা যায় ভোটারের উপস্থিতি কম। এই উপজেলার ১৩৬টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে।

চট্টগ্রামের ৭টির মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৬টিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতরা হলেন- মিরসরাই উপজেলার মো. জসিম উদ্দিন, সীতাকুন্ডের এসএম আল মামুন, সন্দ্বীপের মো. শাহজাহান, রাউজানের একেএম এহেছানুল হায়দার চৌধুরী বাবুল, রাঙ্গুনিয়ার খলিলুর রহমান চৌধুরী, হাটহাজারীতে এসএম রাশেদুল আলম।