টাস্কফোর্সের অভিযান

পুরান ঢাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ৪ ভবন ভাঙার নির্দেশ

পুরান ঢাকার আবাসিক এলাকাকে ঝুঁকিমুক্ত করতে এবং কেমিক্যাল কারখানা ও গোডাউন অপসারণে গঠিত টাস্কফোর্সের চলমান অভিযানে চারটি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে রাজধানী উন্নয়ন কর্র্তৃপক্ষকে (রাজউক) বলা হয়। গতকাল সোমবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গতকাল টাস্কফোর্সের অভিযানে ১৪তম দিনে পুরান ঢাকার খাজে দেওয়ান প্রথম লেন ও জয়নাগ রোড এলাকায় আলতা, প্লাস্টিক, পলিথিন ও তার তৈরির কারখানার সন্ধান পায়। অতি দাহ্য কোনো বস্তু না থাকায় এবং অগ্নি প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করায় তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। শুধু জয়নাগ রোডের লামিয়া এন্টারপ্রাইজের সব পরিষেবা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।

জুড়িয়াটুলী লেনের একটি হোল্ডিংয়ে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক রাসায়নিক নিকেলের কারখানার সন্ধান পায় টাস্কফোর্স। ওই কারখানার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া দুদিনের মধ্যে সব কেমিক্যাল সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেখানে আরেকটি কেমিক্যাল গুদাম থেকে তাৎক্ষণিকভাবে মালামাল সরিয়ে নেওয়া হয়। এদিন ৩২নং ওয়ার্ডের কেমিক্যাল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে টাস্কফোর্সের কর্মকর্তাদের সভা হয়। ব্যবসায়ীরা আজ মঙ্গলবারের মধ্যে গোডাউনের তালিকা সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ডিএসসিসি জানায়, গত ১৪ দিনের অভিযানে মোট ১৬২টি প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে, সিলগালা করা হয়েছে ২৭টি প্রতিষ্ঠান, সময় দেওয়া হয়েছে ৩৫টি প্রতিষ্ঠানকে এবং জরিমানা করা হয়েছে ৯৭ লাখ ২০ হাজার টাকা। একজনকে গ্রেপ্তার ও বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে গোডাউন অপসারণ করায় পরিষেবা পুনঃসংযোগ দেওয়া হয়েছে ১৬টি প্রতিষ্ঠানের।