এসি বিস্ফোরণে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ও তার স্ত্রী গুরুতর দগ্ধ

রাজধানীর উত্তরায় এয়ার কন্ডিশনারের (এসি) কম্প্রেশার মেশিন বিস্ফোরণে ঘুমন্ত অবস্থায় স্বামী-স্ত্রী দগ্ধ হয়েছেন। তারা হলেন- বিমানবন্দর থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আলমগীর ভুইয়া (৬২) ও তার স্ত্রী উত্তরা পশ্চিম থানার মহিলা লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস ফারজানা (৪৮)।

আলমগীর কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং (সিএনএফ) এর ফোর্স সেক্টরের কর্মকর্তা।

সোমবার দিবাগত রাত ২টারর দিকে উত্তরার ৩ নম্বর সেক্টরের ১৮ নম্বর রোডের সাততলা বাড়ির পঞ্চমতলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় রাতেই তাদের দুজনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

আলমগীরের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার ছোট ফাউসা গ্রামে। তিনি মৃত একেএম নুরুল ইসলামের ছেলে। আলমগীর দুই সন্তানের জনক।

আলমগীরের ছোটভাই তানজিল শাহরিয়ার জানান, রাতে বাসায় ঘুমিয়ে ছিলেন তার ভাই আলমগীর ও ভাবি বিলকিস। তখন তাদের রুমের পাশে এসির কম্প্রেশার মেশিন বিস্ফোরিত হয়। এতে জানলার গ্লাস ভেঙে রুমের ভেতর আগুন ঢুকে পড়ে।

তাৎক্ষণিক আগুন পুরো রুমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ঘুমন্ত অবস্থায় তারা দুজন দগ্ধ হন। তবে আগুন কিছুক্ষণের মধ্যেই নিভে যায়। পরে তারা নিজেরাই বাথরুমে গিয়ে শরীরে পানি ঢালেন।

এরপর পাশের বাসার লোকজন দুজনকে উদ্ধার করে পাশের একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে ভোর ৪টার দিকে তাদেরকে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে নিয়ে আসা হয়।

ঢামেক বার্ন ইউনিটের আবাসিক সার্জন ডা. পার্থ শংকর পাল জানান, তাদের দুজনেরই শরীরের ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। বিলকিসকে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) আর আলমগীরকে হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) ভর্তি রাখা হয়েছে। দুজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক।

উত্তরা পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলী হোসেন খান জানান, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে এসির কম্প্রেশার মেশিন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানতে পেরেছি। বিস্তারিত খতিয়ে দেখা হচ্ছে।