আণবিক বোমার চেয়েও ১০ গুণ শক্তিশালী একটি উল্কা ধেয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে। উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ বেরিং সিতে এই শক্তিশালী উল্কা পতিত হবে বলে বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন।
সিএনএন, গার্ডিয়ান ও পপুলার সায়েন্সসহ একাধিক সংবাদমাধ্যম জানায়, উল্কাটি এই শতাব্দীর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বিস্ফোরণটি ঘটাবে বলে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
ছয় বছর আগে রাশিয়ার চেলায়াবিনস্কে সবচেয়ে বড় উল্কা বিস্ফোরণটি ঘটে। এর আগে উল্কা পতনের বড় ঘটনাটি ছিল ১৯০৮ সালে রাশিয়া ও সার্বিয়া মধ্যকার নদী তুনগাসকাতে।
এবারের উল্কাটিও পতিত হচ্ছে রাশিয়া ও আলাস্কার মধ্যবর্তী বেরিং সিতে। বিজ্ঞানীর জানান, উল্কাটি ১০ মিটার লম্বা এবং ওজনে দেড় হাজার টন।
ঘণ্টায় ৭২ হাজার মাইল গতিতে এই উল্কা পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বলে জানা গেছে। তবে কোনো ধরনের সতর্কতা জারির সুযোগ না দিয়ে বেরিং সিতে এটি আঘাত হানবে বলে জানান বিজ্ঞানীরা।
এদিকে পৃথিবীব্যাপী কিছু সামরিক ও বেসামরিক পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র এই উল্কা বিস্ফোরণের দিকে নজর রাখছে। কখন এটি আঘাত হানবে এবং এর প্রভাব নিরূপণ করতে তথ্য সংগ্রহ করছে তারা।
আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসারে পারমাণবিক বিস্ফোরণের নানা লক্ষণ ও চিহ্ন ব্যাখ্যা করে এই উল্কাতেও একই ধরনের বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে জানান নাসার প্ল্যানেটারি অফিসার লিন্ডলি জনসন।
তিনি বলেন, “এই আকারের বিস্ফোরণ কখনো ব্যর্থ হয় না।”
এই বিষয়ক নাসার একটি প্রোগ্রামের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কেলি ফাস্ট বলেন, “বেরিং সিতেই এটি পতিত হচ্ছে। তবে চেলায়াবিনস্কের মতো শক্তিশালী বিস্ফোরণ হবে না এতে।”