নিউজিল্যান্ডে শ্বেতাঙ্গ সন্ত্রাসী হামলায় নিহত নারায়ণগঞ্জের প্রবাসী ওমর ফারুকের লাশ আনতে নিউজিল্যান্ড যাচ্ছেন তার স্ত্রী সানজিদা জামান নিহা। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চলে আসলেই নিউজিল্যান্ড রওয়ানা হবেন তিনি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুল দেশ রূপান্তরকে বলেন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি করা হচ্ছে। খুব শিগগিরই লাশ হস্তান্তরের জন্য নিউজিল্যান্ড যাবেন ফারুকের স্ত্রী।
জানা গেছে, বাবা মায়ের একমাত্র ছেলে ওমর ফারুক। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি তিনি। ভাগ্যের চাকা ঘুরাতে জীবিকার তাগিদে ২০১৫ সালে পাড়ি জমিয়েছিলেন সুদূর নিউজিল্যান্ডে। ভাগ্যক্রমে নিউজিল্যান্ডের সিটিজেনশীপও পেয়েছিলেন।
সেখানে একটি কনস্ট্রাকশন কোম্পানিতে কাজ করতেন ওমর ফারুক। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে সবকিছু গুছিয়ে দেশে ফিরে বিয়ে করেন একই এলাকার সানজিদা জামান নিহাকে। বিয়ের কিছুদিন পরই ফিরে যান তিনি।
গত ১৬ নভেম্বর ছুটি নিয়ে আবারও দেশে আসেন। কিছুদিন বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে কাটিয়ে ১৮ জানুয়ারি নিউজিল্যান্ড ফিরে যান তিনি। তার স্ত্রী সানজিদা জামান নিহার বর্তমানে ৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
গত শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ শহরের আল নুর মসজিদে জুমার নামাজ পড়তে গেলে এক শ্বেতাঙ্গ সন্ত্রাসীর নৃশংস হামলায় নিহত হন ফারুক।
ফারুককে হারিয়ে স্ত্রীসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা অকূলপাথারে পড়েছেন। ওমর ফারুকের লাশ দ্রুত ফিরিয়ে আনাসহ ক্ষতিপূরণ দাবি করছেন পরিবারের স্বজনরা।