তুরস্কের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি করতে গ্রিসের ক্রীট দ্বীপে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মেরিন রাডার বসাচ্ছে ইসরায়েল।
অবশ্য ইসরায়েল বলছে, গ্রিক সাইপ্রাস এবং গ্রিসে গ্যাস পাঠানোর পাইপলাইন রুট নজরদারির জন্য তারা এ পরিকল্পনা নিয়েছেন।
গ্রিস এবং ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে তুরস্কের হুররিয়েত ডেইলি জানায়, ‘লং হরাইজন’ নামের ওই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে তুরস্কের উপকূলীয় এলাকার অধিকাংশই নজরদারির আওতায় আসবে।
বিগত মাসগুলোতে গ্রিক সাইপ্রাসকে সঙ্গে নিয়ে ইসরায়েল এবং গ্রিস তাদের অর্থনৈতিক ও সামরিক সহযোগিতা বাড়াচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে- ভূমধ্যসাগরের পূর্বাঞ্চলে পানির তলদেশে ২০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণ এবং মেরিন রাডার স্থাপন।
ইসরায়েল তাদের বর্তমান রাডার ব্যবস্থার মাধ্যমেই তুরস্কের ভূমধ্যসাগরীয় এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল নজরদারি করতে পারে। ‘লং হরাইজন’ নামে নতুন রাডার ব্যবস্থা বাস্তবায়িত হলে সে আয়তন দ্বিগুণ হবে।
নতুন এই রাডার ব্যবস্থার মাধ্যমে ৬০০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের এলাকায় চালকবিহীন বিমান দিয়ে নজরদারি করা সম্ভব।
ক্রীট দ্বীপে এই রাডার ব্যবস্থা বসানো হলে গোটা সাইপ্রাস ও আজিয়ান সাগর এবং দার্দানেলিস প্রণালি ও তুরস্কের ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল নজরদারিতে আসবে।
ইসরায়েল, গ্রিস এবং গ্রিক সাইপ্রাস এই রাডার ব্যবস্থার মাধ্যমে তুরস্কের ভূখণ্ড এবং ভূমধ্যসাগরে চলাচলকারী জাহাজের ওপর নজরদারি করতে পারবে।
জয়েন্ট রাডার স্টেশনের প্রাথমিক কাজগুলো করবে ইসরায়েলি বিশেষজ্ঞরা। আর রাডার থেকে প্রাপ্ত তথ্য ব্যবহার করতে পারবে গ্রিস।