আলোচনা সভায় নৌপরিবহন সচিব

নদী দখলমুক্তের অভিযান আরও জোরালো হবে

বুড়িগঙ্গাসহ ঢাকার চারপাশের নদী এবং সারা দেশের নদী বাঁচাতে চলমান উচ্ছেদ অভিযান আরও জোরালো করা হবে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুস সামাদ। তিনি বলেন, নদীকে ভালোবাসতে হবে। নদীকে বাঁচাতে হবে, নদী না বাঁচলে আমরাও বাঁচব না।

গতকাল শনিবার আন্তর্জাতিক পানি দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। দৈনিক জনতা ও প্রিমিয়ার নিউজ সিন্ডিকেট লিমিটেডের (পিএনএস) উদ্যোগে ‘নদী বাঁচাও-দেশ বাঁচাও-মানুষ বাঁচাও’ শীর্ষক এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন নৌপরিবহন সচিব।

তিনি বলেন, ‘ঢাকার আশপাশের নদীগুলো উদ্ধারে সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে উচ্ছেদকৃত নদীতীর যাতে পুনরায় দখল না হয় সেজন্য সেখানে বনায়ন এবং শক্ত মজবুত সীমানা দেয়াল নির্মাণ করা হবে।

নদী রক্ষায় বঙ্গবন্ধুর মতো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও আন্তরিকভাবে কাজ করছেন উল্লেখ করে আবদুস সামাদ বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ খননের লক্ষ্যে কাজ করছে মন্ত্রণালয়। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ‘ডেল্টা প্ল্যান-২১০০’ অনুযায়ী নদী, খাল, বিল ও পুকুর খনন করে সেখানে জলাধার সৃষ্টি করতে হবে। নদী রক্ষায় যারা সহায়তা করবে তাদের জন্য ‘জাতীয় নদী রক্ষা পুরস্কারের’ ব্যবস্থা থাকবে।’

দৈনিক জনতার উপদেষ্টা সম্পাদক ও প্রিমিয়ার নিউজ সিন্ডিকেট লিমিটেডের (পিএনএস) প্রধান সম্পাদক নদী ও পানি বিশেষজ্ঞ শাহাবুদ্দিন শিকদার অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিআইডব্লিউটিএর সদস্য (প্রকৌশল) গোলাম মোস্তফা, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমোডর সৈয়দ আরিফুল ইসলাম, বুয়েটের নৌযান ও নৌযন্ত্র কৌশল বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মীর তারেক আলী, ওয়ারপোর সাবেক মহাপরিচালক ম. ইনামুল হক, বুয়েটের পানি ও বন্যা ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউটের পরিচালক সুজিত কুমার বালা, বিআইডব্লিউটিএর চিফ ইঞ্জিনিয়ার (ড্রেজিং) আবদুল মতিন ও বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি আবদুল আওয়াল। অনুষ্ঠানের শুরুতে নদীবিষয়ক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।