খাগড়াছড়িতে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা ছাত্র নেতা রিটন চাকমা আর নেই। বুধবার সন্ধ্যায় খাগড়াছড়ি সদরের বটতলী দয়া মোহন কারবারী পাড়ার নিজ বাস ভবনে তিনি মারা যান। তিনি দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস রোগে ভুগছিলেন।
রিটন চাকমা খাগড়াছড়ি সদরের মহাজন পাড়া গ্রামের বীরেন চাকমার ছেলে। পাঁচ ভাইবোনের সবার বড় রিটন চাকমা।
তিনি আশির দশকে যখন খাগড়াছড়িতে আওয়ামী লীগ ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। তিনি আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী দুই ছেলে, মা, এক ভাই তিন বোনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে বটতলী গ্রাম্য শ্মশানে তাকে দাহ করা হয়।
পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী রিটন চাকমার মৃত্যুতে তার স্ত্রী মিনু চাকমা অসহায় হয়েছে পড়েছেন। তার এক ছেলে বর্তমানে ডিগ্রীতে আর এক ছেলে ৮ম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছেন। তিনি তার স্বামীর অবর্তমানে তার বড় ছেলের জন্য একটি কর্মসংস্থান হিসেবে চাকরি দাবি করেন।
তৎকালীন এই ছাত্র নেতার মৃত্যুতে খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, নারী সংসদ সদস্য বাসন্তী চাকমা, জেলা পরিষদ সদস্য কংজরী চৌধুরী, পৌর মেয়র রফিকুল আলম, জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক দিদারুল আলমসহ জেলা আওয়ামী লীগ ও নেতাকর্মীরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।