মের তৃতীয় হারে ‘পুরোপুরি অনিশ্চিত’ ব্রেক্সিট

ব্রেক্সিট চুক্তি নিয়ে তৃতীয়বার পার্লামেন্টে হেরে গেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। শুক্রবার তিনি এমন দিনে হারলেন, যেদিন ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে তার দেশের বেরিয়ে যাওয়ার প্রাথমিক তারিখ ছিল।

বিবিসি, সিএনএন-সহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, সাংসদদের ভোটে আরেকবার হারার কারণে ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া কার্যত পুরোপুরি অনিশ্চিত হয়ে পড়ল।

এদিন নিম্নকক্ষ হাউজ অব কমন্সের ভোটাভুটিতে চুক্তির পক্ষে ভোট পড়েছে ২৮৬টি। বিপক্ষে ৩৪৪টি।

‘ব্রিটেন এক্সিট’কে সংক্ষেপে বলা হয় ব্রেক্সিট। ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া এটি। ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত ২৮টি দেশ একে অন্যের সঙ্গে ব্যবসা করতে পারে, এক দেশ থেকে অন্য দেশে যেতে পারে এবং সেখানে বসবাস করতে পারে।

প্রায় ৪০ বছর ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে থাকার পর ২০১৬ সালের জুনে একটি গণভোট আয়োজন করে যুক্তরাজ্য। অধিকাংশ ভোটার ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়ার পক্ষে ভোট দেন।

২০১৯ সালের ২৯ মার্চ দুই পক্ষের আলাদা হওয়ার কথা ছিল। নানা বিতর্কের পর সেটি পিছিয়ে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত গেছে।

বিচ্ছেদের বিষয়ে থেরেসা মে অনড়। কারও কথাই তিনি শুনতে চাচ্ছেন না। নিজ দলের অনেক সাংসদ তার নেতৃত্বের বিরোধিতা করছেন। তাকে সরাতে চলছে তোড়জোড়। আবার গণভোটেরও দাবি উঠেছে। কিন্তু মে আর কোনো গণভোট চান না।

এদিন হারের পর তিনি বলেন, ‘সামনে এগিয়ে যেতে যুক্তরাজ্যকে নতুন কোনো উপায় খুঁজতে হবে, যা মোটামুটি নিশ্চিত।’