বেজোসের ফোনে সৌদির আড়ি পাতার কারণ কী?

বিশ্বের শীর্ষ ধনী ও আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসের ফোনে সৌদি আরব আড়ি পেতেছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। এখন প্রশ্ন হল, সৌদির সঙ্গে আমেরিকান এই ব্যবসায়ীর ঝামেলা কোথায়?

এটি বুঝতে হলে একটু পেছনে যেতে হবে। সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডের পর বেজোসের মালিকানাধীন দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট বেশি ‘জ্বালিয়েছে’ সৌদি কর্মকর্তাদের। দেশটি থেকেই যে খাশোগিকে হত্যা করা হয়েছে, তার পক্ষে অনেক প্রতিবেদন প্রকাশ করে তারা। বাধ্য হয়ে সৌদি আরব বেজোসের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লাগে।

বেজোসকে শায়েস্তা করতে সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ট্যাবলয়েড ন্যাশনাল এনকোয়ারারের সহায়তা নেয়। গত জানুয়ারিতে বেজোসের ব্যক্তিগত মেসেজ ফাঁস করে এই গণমাধ্যমটি। সেখান থেকে জানা যায়, বন্ধুর স্ত্রীর সঙ্গে প্রেমের কারণে বেজোস তার স্ত্রী মেকানজিকে ডিভোর্স দিচ্ছেন। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, লরেন সানচেজ নামের এক টিভি উপস্থাপিকা এবং পাইলটের সঙ্গে প্রেম করছেন ৫৪ বছর বয়সী বেজোস।

শুধু তাই নয়; বেজোসের ব্যক্তিগত মেসেজও ফাঁস করে তারা। সানচেজকে দেওয়া সেই মেসেজে তিনি লেখেন, ‘আমি তোমার ঘ্রাণ নিতে চাই, চাই তোমাতে নিশ্বাস নিতে। তোমাকে শক্ত করে ধরতে চাই…চাই তোমার ঠোঁট স্পর্শ করতে..তোমায় ভালোবাসি। তোমার প্রেমে পড়ে গেছি।’

মেসেজ ফাঁসের পাশাপাশি বান্ধবীকে পাঠানো নগ্ন ছবিও ন্যাশনাল এনকোয়ারারকে দেয় সৌদি আরব। সেই ছবি ফাঁসেরও হুমকি দেয় প্রতিষ্ঠানটি।

কীভাবে এমন মেসেজ ও ছবি ন্যাশনাল এনকোয়ারারের হাতে গেল তা খতিয়ে দেখতে বেজোস নিজের উদ্যোগে তদন্ত শুরু করেন। সেই তদন্ত থেকে তিনি সৌদি আরবের কথা জানতে পেরেছেন।