পারিবারিক বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে পুরুষ বন্ধুর সঙ্গে অবাধ মেলামেশা করায় খুন হতে হলো এক কিশোরীকে। খুনের অভিযোগে পুলিশ কিশোরীর বাবা ও ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশের সন্দেহ পারিবারিক সম্মান রক্ষার্থেই মেয়েকে খুন করেছেন কিশোরীর বাবা। এ ছাড়া আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানা গেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে ২৬ মার্চ, ভারতের মহারাষ্ট্রের আহমেদ নগর জেলায়। জানা গেছে আহমেদ নগর জেলার ৬০ কিলোমিটার ভেতরে চণ্ডীগ্রাম এলাকায় এক কিশোরীর দগ্ধ দেহ পড়ে থাকতে দেখেন এলাকার একজন। এরপর খবর দেওয়া হয় জামখেড় থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। ঘটনার তদন্তে নেমে এলাকার অনেককেই জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।
অনুসন্ধানে জানা যায়, এক পুরুষ সহপাঠীর সঙ্গে অবাধ মেলামেশা ছিল মেয়েটির। এতে প্রথম থেকেই তাতে আপত্তি ছিল কিশোরীর বাবা পানদুরাঙ শ্রেরাঙ্গ সেগান্দের। বাবার আপত্তি সত্ত্বেও যুবকের সঙ্গে মেলামেশা চালিয়ে যাওয়ায় বাবা-মেয়ের মধ্যে ঝগড়া হয়। ঝগড়া তীব্র আকার ধারণ করলে চণ্ডীগ্রামের বাড়িতেই নিজের মেয়েকে খুন করেন ওই ব্যক্তি। শুধু তাই নয়, প্রমাণ লোপাটের জন্য কিশোরীর দুই মামার সহযোগিতায় বাড়ির কিছুটা দূরে নিয়ে গিয়ে কিশোরীর দেহটি পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করে অভিযুক্তরা। এর পরের দিন অভিযুক্তরাই জামখেড় থানায় কিশোরীর নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তও শুরু করেছিল পুলিশ। ২৬ শে মার্চ দেহটি উদ্ধারের পর বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে রহস্য ভেদ করে পুলিশ। ওই কিশোরীর বাবা ও দুই মামা রাজেন্দ্র জগন্নাথ সিন্দে ও ধ্যানদেব জগন্নাথ সিন্দেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।