সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও আলোচনার মধ্য দিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) কবি আব্দুল হাই মাশরেকীর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। গতকাল সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে এ আয়োজন দুই বাংলার কবি ও সংস্কৃতিকর্মীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। এতে বক্তারা কবি মাশরেকীকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্মরণ করার দাবি জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান। গীতিকার ও অভিনেতা শংকর সাঁওজাল বলেন, ‘সময় এসেছে কবি মাশরেকীকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্মরণ করার। ভুলের কারণে বাংলা ও বাঙালির অনেক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হারিয়ে যাচ্ছে। তাদের অকৃত্রিম কর্মগুলো তাদের নামে থাকতে দেওয়া উচিত।’
সভাপতির বক্তব্যে ড. মীজানুর রহমান বলেন, ‘ধনী দেশ পৃথিবীতে অনেক ছিল। সংস্কৃতি ধরে রাখতে না পারায় তারা একসময় হারিয়ে গেছে। যদি আমাদের সংস্কৃতি ধারণ করতে না পারি তাহলে আমরাও টিকব না।’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জবি ট্রেজারার অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়া, চিত্রশিল্পী নাজমা আক্তার, ওপার বাংলার কবি সৈয়দ হাসমত জালাল, মাশরেকী পরিষদের সভাপতি মাহবুবে আলম প্রমুখ।
লোকসাহিত্যিক ও কবি আবদুল হাই মাশরেকী তিরিশ ও চল্লিশ দশকের সাহিত্য জগতে সাড়া জাগিয়েছিলেন। তার লেখা অসংখ্য দেশাত্মবোধক গান, কবিতা ও গণসংগীতের মধ্যে উল্লেখযোগ্য, ‘রাখাল বন্ধু, ‘জরিনা সুন্দরী, ‘আল্লা মেঘ দে ছায়া দে’, ‘ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে’, ‘আমার কাঁখের কলসি’ ইত্যাদি। তার জন্ম ১৯১৯ সালে।