গুলশানে অগ্নিকাণ্ড

কাঁচাবাজার স্থানান্তরের দাবি ব্যবসায়ীদের

রাজধানীর গুলশানে ডিএনসিসি কাঁচাবাজার ও সুপার মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের পর ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি কাঁচাবাজারটি মার্কেটের খালি মাঠে স্থায়ীভাবে স্থানান্তর করার দাবি জানিয়েছে। মেয়র আতিকুল ইসলাম এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে ৫ দিন সময় চেয়েছেন। এদিকে ঘটনার ৩ দিন পরও পুড়ে যাওয়া ময়লার স্তূপ সরানোর কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন মার্কেট ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান। তিনি শিগগির পোড়া ময়লা পরিষ্কারের দাবি জানান। এ ব্যবসায়ী দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমরা বর্তমান কাঁচাবাজারের সকল দোকান মার্কেটের যে খালি মাঠ রয়েছে সেখানে স্থায়ীভাবে স্থানান্তরের প্রস্তাব দিয়েছি। এ ব্যাপারে গত শনিবার মেয়র আতিকুল ইসলামসহ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমিতির সদস্যরা আলোচনায় বসেছিলাম। মেয়র আশ্বাস দিয়েছেন, আগামী ৪ থেকে ৫ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাবেন।’

সমিতির সভাপতি দীন মোহাম্মদ বলেন, ‘আগুনে প্রায় ১৫০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।’ পুড়ে যাওয়া মার্কেট শিগগিরই চালুর অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সকল কেনাকাটা থেকে শুরু করে কূটনীতিক পাড়া, বিদেশিদের মালপত্র এবং ঢাকার বড় বড় রেস্তোরাঁর সকল খাদ্যসামগ্রী এই মার্কেট থেকে নেওয়া হয়। শহরের অন্য কোথাও এগুলো পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। মার্কেট বন্ধ থাকলে বিদেশিরা সমস্যায় পড়বেন।’

মার্কেট সমিতির সদস্য মো. মিজান জানান, তিনি গুলশান কাঁচাবাজারে মুরগির ব্যবসা করতেন। তার ৮ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে যায়। ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ৩০ কেজি চাল ছাড়া এখন পর্যন্ত আর কোনো সাহায্য পাননি। সমিতির আরেক সদস্য মাছ ব্যবসায়ী পারভেজ আহমেদ বলেন, ‘আগুন লেগে তার দোকানের ১৭টি ফ্রিজ পুড়ে গেছে। এখানে পোড়া গন্ধে নিঃশ্বাস নেওয়া যাচ্ছে না। তাড়াতাড়ি এগুলো উদ্ধার করে দিলে আমরা বাঁচি। আমাদের  স্বাস্থ্যের অনেক ক্ষতি হয়েছে। তিনদিন পার হওয়ার পরও এখন পর্যন্ত ময়লা সরানোর কোনো ব্যবস্থা করা হয়নি।’