গণসংহতি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধাক্কা-ধাক্কি

পুলিশের সঙ্গে গণসংহতি আন্দোলন কর্মীদের ধাক্কাধাক্কি ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়েছে। তবে এতে কেউ আহত হয়নি বা কাউকে আটক করা হয়নি।

বুধবার পুলিশ ব্যারিকেড ডিঙিয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সামনে বিক্ষোভ করতে গেলে সচিবালয়ের সামনে নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধাক্কাধাক্কি হয়। পরে পুলিশি বাধার মুখে নেতাকর্মীরা ব্যারিকেডের পাশে বসে প্রতিবাদ জানায়। এর আগে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে সমাবেশ করে গণসংহতি আন্দোলন। এ সময় তারা সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়।

শাহবাগ থানার ওসি আবুল হাসান দেশ রূপান্তরকে বলেন, দুপুর ১২ টার দিকে গণসংহতি আন্দোলনের নেতা কর্মীরা সচিবালয়ে ঘেরাও কর্মসূচি পালন করছিল। তারা প্রেসক্লাবে সমাবেশ করে সচিবালয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হলে দক্ষিণ পাশের লিংক রোডে পুলিশ তাদের ব্যারিকেড দেয়। পুলিশ তাদেরকে বলে যে, ‘আপনারা এরপরে আর যেতে পারবেন না।’ ওসি আরও বলেন, ‘এ নিয়ে কিছুটা কথা কাটা-কাটি ও কিছুটা উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে তারা শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ করে চলে যায়। এঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।’

সমাবেশে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন তৈরি করা হয়েছে গ্যাস-বিদ্যুৎসহ অন্যান্য জ্বালানির মূল্য নির্ধারণে কাজ করার জন্য। যাতে সরকার ইচ্ছেমতো জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি করতে না পারে। জনগণ এবং সরকারের মধ্যে জ্বালানি মূল্য বিষয়ে ভারসাম্য তৈরিতে প্রতিষ্ঠানটির কাজ করার কথা। সেই এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের আইনে আছে বিশেষ কারণ ছাড়া এক বছরে দুইবার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করা যাবে না। কিন্তু এই সরকার বিগত ১০ বছরে গ্যাসের ও বিদ্যুতের দাম উপর্যুপরি বাড়িয়ে চলেছে। আমরা পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, এইভাবে গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির তৎপরতা ও লুটেরাদের স্বার্থে দেশের মানুষকে বিপদে ফেলার তৎপরতা জনগণ মেনে নেবে না।