সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির বর্তমান মূল ভবনটি পুরোনো হয়ে যাওয়ায় খুবই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন সমিতির বিদায়ী সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিন। এ জন্য দুর্ঘটনা ঘটলে এর দায় সুপ্রিম কোর্ট বার নেবে না মর্মে সংশ্লিষ্ট থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
পাশাপাশি ইতিমধ্যে ভবনটির সংস্কারের বিষয়ে গণপূর্তমন্ত্রীর কাছে আবেদন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
বুধবার সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে সুপ্রিম কোর্ট বারের বিদায়ী কমিটির (২০১৮-২০১৯) সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জয়নুল আবেদিন।
এদিকে গত ২০ ফেব্রুয়ারি সমিতির সভাপতির স্বাক্ষরে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে পাঠানো আবেদনে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি (তদানীন্তন ঢাকা হাইকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন) ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠার সময় এর সদস্য ছিলেন ৯০ জন। ১৯৭৪ সালে সদস্য ছিলেন ৪৬৫ জন। কালের আবর্তে আইনজীবী সংখ্যা বাড়তে থাকায় বসার স্থান স্বল্পতা দেখা দিলে সমিতির মূল ভবন সংলগ্ন চারতলা বিশিষ্ট একটি অ্যানেক্স ভবন নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে সমিতির সদস্য নয় হাজার।
আবেদনে বলা হয়, স্থান সংকুলান না হওয়ায় আইনজীবীরা চরম দুরবস্থার মধ্যে পেশাগত দায়িত্ব পালন করছে। আর সমিতির বর্তমান ভবনটি অতি পুরোনো বিধায় খুব ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
এ ছাড়া সদস্য সংখ্যা এত বৃদ্ধি পাচ্ছে যে, স্থান সংকুলান হচ্ছে না। পুরোনো মূল ভবনটি যে কোনো কারণে ধসে পড়লে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি এর দায় দায়িত্ব গ্রহণ করবে না।
আবেদনে আরো বলা হয়, সমিতির ১৫তলা ভবন নতুন ভবন নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি। এ বিষয়ে জাতীয় সংসদের সিদ্ধান্ত এবং আলোচনা হয়েছে। গণপূর্তমন্ত্রীকে এ বিষয়ে উদ্যোগ নিতে বলা হয়।