জাপানে জনশক্তি রপ্তানিতে দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনেছে অ্যাসোসিয়েশন অব জাপানিজ ল্যাংগুয়েজ ইনস্টিটিউট ইন বাংলাদেশ (আজলিব)।
সংগঠনের পক্ষ থেকে আই’এম জাপান কর্তৃক টেকনিক্যাল ইন্টার্ন নিয়োগে দুর্নীতিসহ নানা অভিযোগের কথা বলা হয়েছে।
বুধবার অর্থনীতি রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে এসব অভিযোগ আনে আজলিব নেতারা।
অনুষ্ঠানে লিখিত বক্তব্য ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন আজলিবের সভাপতি ফরিদুল আলম বাবলু। অনুষ্ঠানে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ওয়াকিল আহমেদ ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আজলিব সভাপতি বলেন, ২০১৮ সালে আইএম জাপান কর্তৃক টেকনিক্যাল ইন্টার্ন নিয়োগ শুরু হয়, তখন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তাদের চাহিদামত যোগ্যতা সম্পন্ন সকল নাগরিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। কিন্তু দুঃখের বিষয় ২০১৯ সালে নিয়োগে কোন পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়নি। গোপনে সরকারি টিটিসি থেকে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের বাছাই করে নিয়োগ পরীক্ষার আয়োজন করা হয়।
তিনি বলেন, আমরা অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মহোদয়কে অবহিত করি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের সুপারিশ করি।
তিনি আরও বলেন, গত বছর টেকনিক্যাল ইন্টার্ন নিয়োগের নিয়োগ প্রাপ্ত এবং মেধাতালিকায় আমাদের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ছাত্রদের স্থান ছিল প্রায় ৯৫ শতাংশ। এর প্রেক্ষিতে আরও নতুন শিক্ষার্থীদের জাপানি ভাষায় শিক্ষা প্রদান করি, বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় চার হাজার ৫শ’ হাজার জাপানি ভাষা দক্ষতা সম্পন্ন শিক্ষার্থী রয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে দেশের হাজার হাজার জাপানি ভাষা জানা এবং যারা শিখছে তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার দিকে যাচ্ছে বলেও আশংকার কথা জানিয়েছেন তারা।