ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) বিভিন্ন কার্যক্রমে সহ-সভাপতির (ভিপি) সঙ্গে অন্যদের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে। ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) গোলাম রাব্বানী ও সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) সাদ্দাম হোসেন না জানিয়েই ডাকসু ভবনে স্টাফ নিয়োগের প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভিপি নুরুল হক নুর।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ডাকসুতে বর্তমানে চারজন কর্মরত। এর বাইরে একজন সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক, দুজন কমনরুম বেয়ারার, দুজন অফিস সহায়ক, একজন অ্যাথলেটিক্স বেয়ারার, দুজন গার্ড ও একজন পরিচ্ছন্নকর্মী নিয়োগের আবেদন জানানো হয়। ওই আবেদনপত্রে ডাকসুর জিএস গোলাম রাব্বানী ও এজিএস সাদ্দাম হোসেনের স্বাক্ষর রয়েছে।
এ বিষয়ে নুরুল হক নুর বলেন, ‘এর আগে আইএমএলে চিঠি, ইন্টারনেটসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশাসন বরাবর একাধিক চিঠি তারা দিয়েছেন। কিন্তু আমি নির্বাচিত ভিপি হলেও এ বিষয়ে তারা আমাকে কিছুই জানায়নি।’
এ বিষয়ে ডাকসুর জিএস গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘নুর বিষয়টি জানেন। কেননা আরেকটি পৃষ্ঠায় তার স্বাক্ষর রয়েছে। তিনি পুরো বিষয়টি না দিয়ে শুধু একটি অংশ সংযোজন করেছেন।’
এজিএস সাদ্দাম হোসেন নুরের অভিযোগকে পুরোপুরি অস্বীকার করে বলেন, ‘এই বিষয়ে ভিপি অবগত আছেন। এর আগে ডাকসুর কর্মকর্তা স্বাক্ষর করার জন্য চিঠি দিয়েছিল। সেই চিঠিতে আমরা স্বাক্ষর করেছি এবং আরেকটি পৃষ্ঠায় ডাকসু ভিপির স্বাক্ষর রয়েছে। কিন্তু তিনি পুরো বিষয়টি না দিয়ে শুধু একটি অংশ সংযোজন করেছেন।’
যদিও জিএস এবং এজিএসের দাবিকে মিথ্যাচার বলছেন ডাকসুর ভিপি। তিনি বলেন, ‘আরেক পেইজ বলতে কিছু নেই। এটা তাদের মিথ্যাচার।’
এ বিষয়ে জানতে ঢাবির কোষাধ্যাক্ষ অধ্যাপক কামাল উদ্দিনের মোবাইলে কয়েকবার কল করেও পাওয়া যায়নি।