আর্মড পুলিশের এক সদস্যের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে মারধরের পর শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গত শুক্রবার রাতের কোনো একসময় নগরীর শিরোমনি বাদামতলা এলাকার মনিরুল ইসলামের বাড়িতে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খানজাহান আলী থানার ওসি শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, নিহত আয়শা আক্তারের (২০) গলায় কামড় ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। দুপুরে স্বামী মাহমুদ আলমকে আটক করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, পাঁচ মাস আগে মাহমুদ ও আয়শার বিয়ে হয়। তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। গত শুক্রবার রাতে সেমাই খাওয়া নিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মাহমুদ আয়শার গলায় কামড় দেয়। এতে সে নিস্তেজ হয়ে পড়ে। শনিবার ঘরের দরজা বন্ধ করে পালিয়ে যায় মাহমুদ। দুপুরের দিকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে বাড়ির লোকজন খোঁজখবর নিতে গিয়ে ঘরে আয়শাকে পড়ে থাকতে দেখে। পুলিশকে খবর দিলে দুপুর ২টার দিকে তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মাহমুদ ও আয়শা সাতক্ষীরার আশাশুনির বাসিন্দা।
ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য খুমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আয়শার ভাই বাদী হয়েছে মামলা করেছেন।