কুমিল্লা ইপিজেডে আর এন টেক্সটাইল অ্যান্ড ক্যামিকেল ফ্যাক্টরিতে ভয়াবহ আগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সুতার এই কারখানাটিতে আগুনের সূত্রপাত হয়। সোমবার রাত দেড়টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১৪ টি ইউনিট কাজ করছিল।
আগুন লাগার সময় কারখানাটিতে শতাধিক শ্রমিক নাইট শিফটে কর্মরত ছিলেন। এদের কেউ কেউ ভেতরে আটকা পড়েছেন বলে ঘটনাস্থলে থাকা কুমিল্লা কোতয়ালী থানার এএসআই হাসনাত দেশ রূপান্তরকে জানান।
পুলিশ কর্মকর্তা হাসনাত বলেন, ‘এই কারখানায় বিভিন্ন প্রকারের সুতা তৈরি করা হতো, ঐ সুতা থেকে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’
রাতে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, কুমিল্লা ইপিজেডে চারদিক থেকে পুলিশ ঘিরে রেখেছে। কাউকে ভেতরে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্স সেখানে উদ্ধারকাজে যোগ দিয়েছে।
ঘটনাস্থলে থাকা কুমিল্লার জেলা প্রশাসক আবুল ফজল মীর রাত সাড়ে ১২টায় দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য ফায়ার সার্ভিসের ১৪ টি ইউনিট কাজ করছে। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। পুরো ইপিজেডের সবগুলো কারখানায় রাতের পালার কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।’
পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম বলেন, ‘নিরাপত্তা এবং শ্রমিকরা যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করতে না পারে সেজন্য পুরো ইপিজেডের সবগুলো কারখানা পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।’
কুমিল্লা ফায়ার সার্ভিসের অতিরিক্ত পরিচালক রতন কুমার নাথ রাত দেড়টায় দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আগুনের অবস্থা ভয়াবহ। কারণ বেশ কয়েকটি গোডাউনে থাকা তুলা ও সুতায় আগুন লেগে তা পুরো ভবনে ছড়িয়ে পড়েছে। তাই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হচ্ছে।’