সীমান্তে মাদক ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পরস্পরকে সহযোগিতা করার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার।
মঙ্গলবার মিয়ানমারের রাজধানী নেপিডোতে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ষষ্ঠ বৈঠক শেষে যৌথ ঘোষণায় একথা বলা হয়।
বৈঠকে মিয়ানমার বাহিনীর নেতৃত্বে থাকা পুলিশ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মায়ো থান বলেন, “দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। এসব বিষয়ে সহযোগিতার ব্যাপারে দু’পক্ষ একমত হয়েছে।”
মিয়ানমার টাইমস এক প্রতিবেদনে আরও জানায়, সীমান্তরক্ষীদের ওপর হামলা হলে তাৎক্ষণিক রিজওনাল কমান্ডার অথবা ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে জানানো এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ ও সন্ত্রাসের বিষয়ে তথ্য আদান-প্রদানে দু’দেশ একমত হয়েছে।
এছাড়া সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও অবৈধ মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ, সীমান্ত এলাকায় আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা, সাজা শেষ হওয়া বন্দীদের হস্তান্তর এবং ভূমি ও সমুদ্রে যৌথ টহলের ওপর জোর দিয়েছে দুই দেশ।
ব্রিগেডিয়ার মায়ো থান বলেন, মিয়ানমারের সীমান্ত এলাকার ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত বাহিনীর সঙ্গে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবির যোগাযোগ রক্ষায় সহযোগিতা করতে একমত হয়েছে মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশ-বিজিপি।
দু’পক্ষ প্রতি মাসে একবার ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে, বছরে দুইবার রিজিয়নাল কমান্ডার পর্যায়ে এবং বছরে একবার সিনিয়র পর্যায়ে বৈঠক অনুষ্ঠানের বিষয়ে একমত হয়েছে।
বৈঠকে ১১ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাফিনুল ইসলাম। অন্যদিকে ১৭ সদস্যের মিয়ানমার প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ব্রিগেডিয়ার মায়ো থান। পরবর্তী বৈঠক অক্টোবরে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হবে।