ভালো ব্যবসার কথা বলে এক তরুণীকে (১৮) ভারতে নিয়ে আটকে রেখে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে দুই প্রতারককে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার সকালে ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের আটক করে।
আটককৃতরা হলেন, মুন্সিগঞ্জের নিয়াচান বালিগন টুঙ্গিপাড়া গ্রামের আহম্মদ হাওলাদারের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৪৫) এবং তার সহযোগী নোয়াখালী সদরের আন্দারচর এলাকার সাইফুল ইসলামের মেয়ে হালিমা আক্তার (২৫)।
যৌন নির্যাতনের শিকার ওই তরুণী পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগে জানায়, সে ঢাকার একটি দোকানে চাকরি করার সুবাদে পরিচয় হয় আনোয়ারের স্ত্রীর সাথে। আনোয়ার মাঝে মধ্যে তার দোকানে আসা যাওয়া করতো। একদিন সে তাকে ভারত থেকে থ্রি-পিচ কিনে বাংলাদেশে নিয়ে আসলে ভাল ব্যবসা হবে এই প্রলোভন দেখায়।
৬ এপ্রিল হালিমা তাকে সাথে করে কলকাতায় নিয়ে আনোয়ারের কাছে রেখে চলে আসে। পরে কলকাতার নোভা নামে একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে আনোয়ার মেয়েটিকে আটকে রাখে। সেখানে ৪/৫ জন ব্যক্তি তাকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করে। বিনিময়ে আনোয়ার তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ গ্রহন করে। এভাবে প্রতিদিন তাকে ৭/৮ পুরুষ ধর্ষণ করে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাকে নিয়ে আনোয়ার ভারত থেকে ফিরলে সে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে তাকে ধর্ষণের বিষয়টি খুলে বলে এবং সাহায্য চায়। এ সময় ইমিগ্রেশন পুলিশ অভিযুক্ত দুই প্রতারককে আটক করে।
বুধবার সকালে আইনি প্রক্রিয়ার জন্য বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের উপ-পরিদর্শক খাইরুল ইসলাম জানান, তারা মেয়েটির কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করে অভিযুক্ত দুই অপরাধী ও ধর্ষিতা তরুণীকে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশে সোপর্দ করেছেন।