সাগর-রুনি, তনু ও মিতুর মতো নুসরাত যেন হারিয়ে না যায়: হাইকোর্ট

ফেনীর সোনাগাজীতে  মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনাটি হাইকোর্টের নজরে আনা হয়েছে। নুসরাতের মৃত্যু নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন বৃহস্পতিবার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চের নজরে আনেন আইনজীবী সৈয়দ সাইয়্যেদুল হক সুমন।

এ বিষয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশনা চান তিনি। আদালত বলেন, “মামলাটি পিবিআই তদন্ত করছে। আপনারা আস্থা রাখুন। পিবিআইয়ের তদন্তাধীন সময়ে এ বিষয়ে আমাদের হস্তক্ষেপ করা সমীচীন হবে না। তবে তদন্তে যদি কোনো অবহেলা এবং বিচ্যুতি পাওয়া যায় তাহলে আমরা ব্যবস্থা নেব।”

হাইকোর্ট বলেন, “আমরা চাই, সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি, চট্টগ্রামের মিতু ও কুমিল্লার তনুর মতো নুসরাত যেন হারিয়ে না যায়।”

সম্প্রতি ফেনীর সোনাগাজীতে স্থানীয় ইসলামীয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করেন ওই মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফি। এতে অধ্যক্ষের রোষানলে পড়েন নুসরাত।

গত ৬ এপ্রিল সকালে ওই মাদ্রাসার সাইক্লোন সেন্টার ভবনের ছাদে নুসরাতের গায়ে দাহ্য পদার্থ দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

সোনাগাজী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ওই দিন বিকেলে নুসরাতকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। পাঁচ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে বুধবার রাতে মারা যান নুসরাত।